৭ মাসের গর্ভবতী নারীর সিজার অতঃপর নবজাতকের মৃত্যু ।

 কুমিল্লা দাউদকান্দি গৌরীপুর বাজারে খিদমা হসপিটাল সিলগালা করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী । ৭ মাসের গর্ভবতী নারীর সিজারে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার অভিযোগে দায়ের কৃত মামলায় এই হসপিটালটি সিলগালা করেন দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসন। ৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ২টা সময় দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামরুল ইসলাম খান-এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় হসপিটালটি সিলগালা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ শহিদুল ইসলাম শোভন, গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম, এসআই মোঃ ফারুক আহমেদ ও নিরাপদ চিকিৎসা চাই কুমিল্লা জেলা আহ্বায়ক মো. আলী আশরাফ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত-সমালোচিত এই খিদমা ডিজিটাল হসপিটালের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের বরাবর একের পর এক অভিযোগ করে আসছিল। এ সময় অভিযোগ কারী ইছাপুর গ্রামের স্বর্ণেহার জানান ,গত মাসে আমি খিদমা হসপিটালে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে আসি। তখন হসপিটালের মালিক সাইফুল ইসলাম আল্ট্রাসনোগ্রাম করেন এবং ২ আগস্ট সিজারের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন। পরে আমি আসতে বিলম্ব হওয়ায় হসপিটালটির মালিক সাইফুল ইসলাম বারবার মোবাইলে কল দিয়ে আমাকে ৪ আগস্ট হসপিটালে নিয়ে আসে। হসপিটালে ঢোকার পরপর সে নিজেই আবার আলট্টাসনোগ্রাম করেন এবং দ্রুত সিজার না করলে আমার ও বাচ্চার সমস্যা হবে বলে ভয়-ভীতি দেখাতে থাকে, তিনি আরও জানান, ‘আমি ৭ মাসের অন্তঃসত্বা বলার পরও একরকম জোর করে সে আমাকে সিজারের রুমে নিয়ে যায় এবং সিজার করতে বাধ্য করেন। সিজার শেষে তারা বাচ্চাটিকে উপুড় করে পিঠে ও বুকে আঘাত করতে থাকে। এক সময় আমার মেয়ে নিস্তেজ হয়ে গেলে তারা দ্রুত মাতুয়াইল হসপিটালে পাঠিয়ে দেয়। মাতুয়াইল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার জানান,অনেক আগেই মারা গেছে শিশুটি ।এ সময হসপিটালটিকে সিলগালা করার সময় যে সব রোগী হসপিটালে ভর্তি ছিল তাদেরকে সরকারী হাসপাতালে প্রেরণের নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল ইসলাম খান জানান, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই হসপিটাল বন্ধ থাকবে ।

মন্তব্য

মন্তব্য