“গ্রাম হবে শহর” এই শ্লোগানকে বাস্তবায়নই হবে আমার লক্ষ্য : আলহাজ হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী

ফরিদগনজ উপজেলা প্রতিনিধি : “গ্রাম হবে শহর” এই শ্লোগানকে বাস্তবায়নই হবে আমার লক্ষ্য : আলহাজ হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী। “গ্রাম হবে শহর” এই শ্লোগানকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল ইউনিয়ন পরিষদ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে অত্র ইউনিয়নের আওয়ামী পরিবারের কৃতি সন্তান জনাব আলহাজ মোঃ হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী।

কে এই হুমায়ুন পাটোয়ারী– তার নানা জনাব ফয়েজ বক্স পাটোয়ারী সাহেব ( মৃত) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চাঁদপুর মহকুমা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চের জাতির জনকের ঐতিহাসিক ভাষণ রেসকোর্স ময়দানে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে শুনে ফিরে আসেন চাঁদপুরে এবং চাঁদপুরে এসে এলাকার যুবকদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহনের জন্য সংগঠিত করে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল নিয়ে ভারতে প্রশিক্ষণ গ্রহনের জন্য যান। প্রশিক্ষণ শেষে তারা দেশে ফিরে এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে শত্রু মোকাবেলা করতে ঝাপিয়ে পড়েন,এবং সফলতার সাথে শত্রু মোকাবেলা করে দেশমাতৃকাকে মুক্ত করেন। এদের মধ্যে অনেককেই তারা হারিয়েছেন।

১৯৬৯ সালে থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং দ্বিতীয়বারের মতো ১৯৭৭ -৮৩ সাল পর্যন্ত সততার সাথে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালে গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব শুরু করে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক কে সপরিবারে হত্যার পর গোটা পরিবারের ওপর নেমে আসে অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন।

বাবা মাওলানা মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী পাটোয়ারী ( বীর মুক্তিযোদ্ধা) ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষকের দায়িত্ব শুরু করেন পাশাপাশি অত্র ইউনিয়নের ১৯৮৩ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন। মাওলানা ইদ্রিস আলী পাটোয়ারী দীর্ঘদিন মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি,ফরিদগঞ্জের সহ-সভাপতির দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন বর্তমানে তিনি গোবিন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

বর্তমান সরকারের উন্নয়নের রোল মডেলে নিয়ে আসার স্বপ্ন নিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ২০২১ এ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হতে চান গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান জনাব মোঃ আলহাজ হুমায়ুন কবীর পাটোয়ারী। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে এই পরিবারের ১৬ জন সূর্য্য সন্তান ভারতে প্রশিক্ষন নিয়ে মুক্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে, ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনে সারাদিয়ে দেশ মাতৃকাকে হায়নাদের কবল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্য শত্রু মোকাবেলায় ঝাপিয়ে পরেন। দেশ স্বাধীনের পর কোনো রকম স্বীকৃতি, সুবিধা গ্রহন থেকে বিরত থেকে সবাই অশ্রজমা দিয়ে যে যার মতো নিজেদের ভাগ্য গড়ার জন্য দেশে বিদেশে ছরিয়ে কেউবা এলাকায় থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথা মুজিব আর্দশ বাস্তবায়নে নিঃস্বার্থভাবে নিবেদিত হয়ে পরেন।

নানা, বাবা অত্র ইউনিয়নের শিক্ষা স্বংস্কৃতি ভৌত অবকাঠামো গত উন্নয়নে পুরুষানুক্রমে নিবেদিত হয়ে ধর্মীয় ও সাধারন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ায় নিজেদেরকে নিবেদিত করেন, যারই ধারাবাহিকতায় আজও জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির পাটওয়ারী সাহেব ও তার পরিবারের তিনজন দাতা সদস্য গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে, উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতির দায়ীত্ব পালন করে চলেছেন জনাব হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী ।

ঢাকার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী যিনি দেশ ও বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত একজন ব্যাবসায়ী হিসাবে সর্বজন সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠিত তেমনি এলাকার উন্নয়নে নিরবে মানুষের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে গ্রাম হবে শহর জননেত্রী শেখ হাসিনার এই শ্লোগানকে মন্ত্রের মতো ধারন করে নিজ জন্ম স্থানকে শহরে রুপান্তরিত করার জন্য ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে নতুন প্রজন্মের ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সিঁড়ি পেরিয়ে নীজের ও পরিবারের ঐতিয্য সমুন্নত রেখে, আসছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ২০২১ এ দলীয় প্রার্থী হিসাবে শেখ হাসিনার মনোনিত হতে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

বর্তমান সরকার ধারাবাহিক দেশ পরিচালনায় আসলেও উক্ত ইউনিয়নে ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান সরকারের মনোনিত প্রার্থী নির্বাচিত না হওয়ায় সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হওয়া সত্বেও উক্ত ইউনিয়ন উন্নয়নের মহা সড়ক থেকে পিছিয়ে রয়েছে,তাই আজ সময়ের দাবী হিসাবে সামনে এসেছে “আর নয় পিছিয়ে এবার যাবো সামনে।” অন্য দিকে জনাব আলহাজ মোঃ হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী সাহেব সরকারি উন্নয়ন বরাদ্ধের উপর নির্ভর না করে ব্যাক্তি উদ্দ্যোগে উন্নয়ন করার মন মানসিকতা ও সামর্থ ইতিমধ্যে ইউনিয়ন বাসী পরিলক্ষিত করেছেন। এই করোনা মহামারিতে সম্পূর্ণ নিজ উদ্দোগে গোটা ইউনিয়নে ত্রান সমগ্রী, ঈদ উপহার নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছেন।

ইউনিয়নের দাতব্য প্রতিষ্ঠান গুলোতে চাহিদা মাফিক উন্নয়ন সহায়তা কম্পিউটার প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। তাতে দল মত জাতী ধর্ম নির্বিশেষে একটি আওয়াজ উঠেছে দূর্দিনে দূর্বিপাকে যাকে পাশে পাই সে আমাদের হুমায়ুন ভাই। তাই ১০ নং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের আসছে নির্বাচন অতীতের সকল হিসেব বদলে দিতে পারে বলে রাজনৈতিক সচেতন মহলের আশংকা।

মন্তব্য

মন্তব্য