রাশেদ খুনের আসামি

১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজনে বৈশাখী টেলিভিশনে প্রচার হবে রাশেদ সীমান্তের ব্যতিক্রমী নাটক। এতে কয়েদির পোশাকে দেখা যাবে এই অভিনেতাকে। কেন? এর বিস্তারিত জানা যাবে আজ রাতে। নাটকটি প্রচার হবে রাত ১১টায়।

এত দিন রাশেদ সীমান্ত যত নাটকে অভিনয় করেছেন, তার সবই আঞ্চলিকতায় ভরা সংলাপ। এই প্রথম কোনো নাটকে তিনি শুদ্ধ ভাষার সংলাপে অভিনয় করলেন। তার গেটআপ, মেকআপ, চলন-বলন সম্পূর্ণই আলাদা। নাটকটি তার ক্যারিয়ারে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে বলে রাশেদ সীমান্তর ধারণা। নাটকের নাম ‘পেরোলে মুক্তি’।

টিপু আলম মিলনের গল্পে সুবাতা রাহিক জারিফার চিত্রনাট্যে এটি পরিচালনা করেছেন জিয়াউর রহমান জিয়া। রাশেদ ছাড়া এ নাটকে আরো অভিনয় করেছেন- নাজিয়া হক অর্ষা, সুষমা সরকার শিল্পী, সরকার অপু, সাহেদ আলী সুজন, জুলফিকার চঞ্চলসহ অনেকে।

‘প্যারোলে মুক্তি’ নাটকের কাহিনি নিয়ে বলতে গিয়ে লেখক টিপু আলম মিলন বলেন, নাটকের গল্পে দেখা যাবে- বোনজামাই জামালকে হত্যার দায়ে রাশেদকে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এ সংবাদে হার্টঅ্যাটাকে মারা যান তার মা। মায়ের লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি পায় রাশেদ। এ সময় সমাজের লোকজন তাকে ধিক্কার দেয়, এমনকি ভালোবাসার মানুষ লাবনীর চোখেও প্রতিশোধের আগুন। সে-ও আজ ভাইয়ের হত্যার বিচার চায়।

তিনি বলেন, রাশেদের বোন নাহার স্বামী হারিয়ে, মা হারিয়ে এবং ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ডের সংবাদে নিথর হয়ে গেছে। নীরব-নিথর রাশেদ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে কিছুই করেন না। মৃত্যুদণ্ড মাথায় নিয়ে কারাগারে নীরব রাশেদ। তবে একসময় সবার অনুরোধে বলতে শুরু করেন হত্যার মূল কারণ। ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে। বেরিয়ে আসে হৃদয়ছোঁয়া এক মর্মন্তুদ কাহিনি। এভাবেই এগিয়ে চলে গল্প।

রাশেদ সীমান্ত বলেন, হয়তো আমার বেশ কিছু জনপ্রিয় নাটক রয়েছে। কিন্তু প্রতিটি মানুষ চায় শুধু মানুষের ভালোবাসা পেতেই নয়, নিজেরও সন্তুষ্টির জায়গা থেকে কাজ করতে। এটা সে রকমই একটা কম্বিনেশন। দর্শকহৃদয় যেমন স্পর্শ করবে, তেমনই আমার নিজের ভেতরেও একটা ভালোলাগার বোধ কাজ করছে। সবাই দেখে প্রতিক্রিয়া জানাবে। সে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।

মন্তব্য

মন্তব্য