বিলবিলাসে শাহিদার আর্তনাত: শোনো বাবা আমার ঘরে খাবার নাই !

 

মো:ফিরোজ,বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি //

প্রতিবেশী থেকে ধার-দেনা করে ১ সপ্তাহ সংসার চললেও আজ আর খাবার জুটছে না। অসুস্থ স্বামীসহ ৬ সদস্য পরিবারকে নিয়ে শাহিদা দুর্শ্চিন্তায় পড়েছে। যাকে পায় তাকে দেখেই কেঁদে ফেলে। শোন বাবা ! আমার ঘরে খাবার নাই।

বাউফল ইউনিয়নের বিললিাস বন্দর দক্ষিন পাশেই কুট্টি মিরা বাড়ী। দক্ষিণ ভিটে ছোট একটি টিনের ছাপড়ার ঘর। ওহাব মিরা। পেশায় রুটি দোকান। চার মাস ধরে অসুস্থ। ঠান্ডা কাশিতে ভুগছে। বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠার আগেই করোনা যেন সব আয় রোজগার বন্ধ করে দিয়েছে। তাকে প্রতিদিন দেড়-দুইশত টাকার ওষুধ খেতে হয়।

চল্লিশার্ধো বয়সী শাহিদা বেগমের স্ত্রীর ওপর অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার ব্যয়সহ ৬ সদস্য পরিবার পেটের খাবার ধায়বার হয়ে পড়ে। শুরু করেন ধার-দেনা। প্রতিবেশী থেকে ধারদেনা করে নিয়ে স্বামীর চিকিৎসা করলে ঘরের খাবার ধার করতে পারছে না। প্রতিবেশী নজির মিয়া বাড়ি থেকে ৮ সের চাউল ধার ১ সপ্তাহ পার করলেও আজ কারোও দরজায় যেতে সাহস পাইনি। তাই পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।

কথা থাকেনা গোপন, খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিক বাড়িতে গেল তার এ করুন চিত্র ফুটে উঠেছে। ওহাব মিরা। ৪ ছেলে তার ১ স্্রী পুত্র বউ নাতনী রয়েছে। পেশায় রুটি দোকান করে সংসার পরিচালনা করেন। অসুস্থ হওয়ার কারনে ওহাব মিরা প্রধান উপার্জন রুটি ব্যবসা বন্ধ বড় ছলে রড মিস্ত্রী। করোনায় কাজ বন্ধ। বাড়িতে আসতে পারেনি।

শাহিদা অসহায় স্বামী পুত্র বউ ছেলেকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। অসুস্থ ওহার মিরা। শরীরে শক্তি নেই। ঘরে চৌকিদার থেকে কাধে করে বাইরে নিয়ে আসলেও দাড়াতে পারছে না। বারবার চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র এক্সে কাগজ দেখাতে চেয়েছে। স্থানীয় ভাবে অনেকে ত্রান সহায়তা পাইলে অসুস্থ পরিবার শাহিদা বেগম ত্রান পায়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আফিদা বেগম জানান,ওহাব মিরা ঘরে খাবার নেই।বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। সন্তোষজনক উত্তর পায়নি। ত্রান সহায়তার জন্য আমার হাতে কোনো নাম নেই। থাকলে প্রথমই অসহায় পরিবার ওহাব মিরাকে সাহার্য্য করতাম।

মন্তব্য

মন্তব্য