মাদক ব্যবসায়ী মিলন ভক্তের অত্যাচারের স্বীকার হলেন গৃহবধূ মনিকা রানী!! 

মু  জিল্লুর রহমান জুয়েল //
পটুয়াখালী মাদার বুনিয়া ইউনিয়নের চারাবুনিয়া গ্রামে গত-১৮ই আগষ্ট  ইং তারিখ রাত অনুমান ৯ ঘটিকার সময় এই  মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে বলে ভিকটিম মনিকা রানী (২৩) এর ছোট ভাই নিধান চন্দ্র হাওলাদার ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়। স্বামীর নির্মম অত্যাচারে শীকার গৃহবধূ মনিকা রানী বর্তমানে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডের ১২ নং বেডে মূমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসা চলছে। অনুসন্ধানে মনিকা রানী জানান স্বামী মিলন চন্দ্র ভক্ত (৩৫) বিয়ের পর থেকে প্রায় যৌতুকের দাবিতে শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। কন্যা দায়গ্রস্থ পিতা স্বর্গীয় বিমল চন্দ্র হাওলাদার প্রায় যৌতুকের টাকার যোগান দিতেন।
বাবার মৃত্যুর পর নির্যাতনের পরিমাণ বেড়ে যায়। স্বামী মিলন চন্দ্র ভক্ত কর্ম জীবনে পটুয়াখালী হেতালিয়া বাঁধ ঘাট এলাকায় প্রাক্টিশনার ডেন্টালের পাশাপাশি মাদক শেবন ও মাদকদ্রব্য ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। ডেন্টালের পাশাপাশি মাদক মাদকদ্রব্যর ব্যবসা প্রসারিত হলে মিলন চন্দ্র ভক্তের বসত বাড়ীতে বসে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করে এবং বসত বাড়িতে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বেড়ে যায় ।
স্বামীর অবৈধ ব্যবসা বন্ধের প্রতিবাদ করলে ফের শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি প্রাননাশের হুমকি দেয়। মনিকা রানী ক্ষিপ্ত হয়ে প্রশাসনকে জানিয়ে দিবার হুমকি দিলে স্বামী মিলন চন্দ্র ভক্ত ও মাদক ব্যবসায় সহচর সুধীর যোগী (৩৫), সুভাস চন্দ্র (৩৪),  সুখদেব সহ অন্যানরা মনিকা রানীর উপর ঝাপিয়ে পড়ে।
 নরপশুরা দেশিও অস্ত্র রড ও বটি দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেয় মনিকার শরীর। স্থানীয় লোকজন ও পটুয়াখালী সদর থানা-পুলিশ মনিকাকে মূমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। এ ব্যপারে থানা-পুলিশ মনিকার সার্বিক আইনি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন, তবে এ ব্যপারে পটুয়াখালী সদর থানায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা রুজু করা হয়নি।

মন্তব্য

মন্তব্য