মাননীয় প্রধাণ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্শন পটুয়াখালীতে খোলা আকাশের নিচে দূর্গা প্রতিমা !

 

মো. নাসির উদ্দিন, গলাচিপা প্রতিনিধি //
পটুয়াখালীর গলাচিপায় খোলা আকাশের নিচে দূর্গা প্রতিমা। বৃষ্টি এলেই ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কিছু দিন পরেই দূর্গা পূজা। প্রতিমা তৈরীর কাজ প্রাইয় শেষ, এখন শুধু রঙ করার সময় ঘনিয়ে আসছে। অপরদিকে সরকারি খাস যায়গায় স্থাপিত একটি দূর্গা মন্দিরটি থাকায় সেখান থেকে উচ্ছেদ করেছে গত সোমবার বিকালে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ভাংরা গ্রামের রমেশ চন্দ্র দাসের বাড়ীতে স্থাপিত দূর্গা মন্দিরটি উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মো: সুহৃদ সালেহীন। মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিল্পপ চন্দ্র শীল জানান, এ জায়গায় মন্দির স্থাপণ করে দূর্গা প্রতিমা তৈরি করে আসছি। আমাদের প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। হঠাৎ করে সোমবার বিকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মো: সুহৃদ সালেহীন এর নেতৃত্বে আমাদের টিন সেটের তৈরি মন্দিরটি ভেঙ্গে দেয়া হয়। এতে প্রতিমা নিয়ে এখন আমরা বিপাকে আছি। এ বিষয় রমেশ চন্দ্র দাস বলেন, এই জমিতে আমার দাদা ও বাবার আমল থেকে একানে বসবাস করে আসছি। এ জমি ১৯৬০ সালে নিলাম ক্রয় করি। যাহার খতিয়ান নং ৩৯৪৪, ৩৯৪৩, ৩৯৪৫, ৩৯৪৬, ৩৯৫৭, ৩৯৫৯, ৩৯৫৫ মোট জমি ০.৭৪ শতাংশ। আমাদের নিলামকৃত জমির উপরে আমাদের একই এলকার লক্ষন চন্দ্র মালী একটি মিস কেস করেন যাহার মামলা নং ১২/২০০৪। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মামলাটি আমলে নিয়ে কাগজপত্র পর্যালচনা করে খারিচ করে দেন। এই জমি ১৪১৯ সাল পর্যন্ত আমাদের কাছে দাখিলা আছে। মন্দিরের প্রহিত বাসদেব চক্রবর্তী বলেন এখানে আগে একটি কালি মন্দির ছিলো সেখানে এখন দূর্গা মন্দির। মন্দিরের উপরে ছাইনি না থাকায় বৃষ্টি এলে প্রতিমা ভিজে নষ্ট হয়ে যাবে।
এ বিষয় একই এলাকার বাবুল চন্দ্র শীল, কমল চন্দ্র শীল, সঞ্জন চন্দ্র দাস, অজুন চন্দ্র শীল, জয়দেব বিশ্বাস, শুশিল মালী, সুবাস চন্দ্র শীল এরা বলেন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আমাদের জোর অনুরোধ যাতে আমরা প্রতি বছরের ন্যায় এখানে পূজা করতে পারি। এ বিষয় আমখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মনির মৃধা বলেন, প্রতিমা তৈরী করার কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু রঙের কাজ করা বাকি কিন্তু এখন প্রতিমার উপরে যদি কোন ছাউনি না থাকলে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। গলাচিপা পূর্জা উদযাপন কমিটির সভাপতি মনিদ্র পাল, সাধারন সম্পাদক তাপস দত্ত বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি দেখবো। গলাচিপা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মো: সুহৃদ সালেহীন বলেন, মন্দিরটি খাস জায়গায় থাকায় আমি ভেঙ্গে দিতে বাধ্য হয়েছি।

মন্তব্য

মন্তব্য