গলাচিপায় ল্যাব টেকনিশিয়ান ছারাই চলছে   সরকারি সাস্থ্য কমপ্লেক্সে 

 

মু. জিল্লুররহমান জুয়েল, পটুয়াখালী।
বর্তমান সময়ে এডিস মশার উেদ্রোপে ” ডেঙ্গু”র আতংঙ্কে জনসাস্থ্য হুমকির মধ্যে থাকলেও পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সাস্থ্য কমপ্লেক্সে ল্যাব টেকনিশিয়ান ছারাই চলছে সাস্থ্য সেবা।
সরজমিন ঘুরে জানা যায়, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার এবং যথাউপযোগী দক্ষ ল্যাব টেকনিশিয়ান না থাকায় গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী দুই উপজেলার দ্বীপ ও চরাঞ্চলের শত শত রোগী চিকিৎসার জন্য আসলেও পর্যাপ্ত ডাক্তার এবং ল্যাব টেকনিশিয়ান ( প্যাথলজিষ্ট) এর অভাবে নানাভাবে হয়রানি শিকার হচ্ছে এসকল মধ্য ও নিম্নবর্তী জনসাধারণ।
চরকাজল, ইউনিয়নের আক্কাস সিকদার, মোঃ বশির হাওলাদার,  হালিমা বেগম,  রফিক মাঝি,  আলমাস এবং  রাঙ্গাবালী উপজেলার করিম, রবিনা আক্তার, শাহজালাল ব্যাপারী লাইজু বেগম সহ আরো অনেকে জানান, “সরকারি হাসপাতালে আইয়্যাও কোন লাব হইনাই, এইয়্যাহানে ডাক্তার কোন রহম আছে, হ্যা আবার সন্ধার পরে ডাক্তার খানায় যাওন লাগে, রক্ত প্রস্রাব সব হেইয়ানেই করাইতে হয়” এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ।
এবিষয়ে ডাক্তার ইমাম সিকদার বলেন, ডাক্তার স্বল্পতা আছে নিশ্চয়ই, আমরা যে কজন আছি তা দিয়েই সেবা চালিয়ে যাচ্ছি বলে ল্যাব টেকনিশিয়ান শূন্য থাকায় রোগীদের বিভিন্ন রোগের প্যাথলজিষ্ট বাহিরে থেকে করাতে হয়।
  এব্যাপারে উপজেলা সাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ ল্যাব টেকনিশিয়ান ছারাই হাসপাতাল পরিচালনা করছি, এতে করে রোগী সেবা কিছুটা বিগ্ন হলেও কি করার আছে। এবিষয়ে আমার উর্ধত কর্মকর্তাকে অবহিতি করেছি। তাছারা বর্তমান এডিস মশার আক্রান্ত এ পর্যন্ত কোন রোগী পাওয়া যাইনি।

মন্তব্য

মন্তব্য