পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি,দেখার কেউ নেই

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ একটি সুস্থ মা’ই পারে একটি সুস্থ সস্তানের জন্ম দিতে। সুস্থ স্বাভাবিক শিশুর জন্ম নিশ্চিত করতে মাননীয় সরকার বাহাদুরের সাফল্য আজ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নানাবিধ কাজ করে যাচ্ছে তারই ধারাবাহিকথায় প গড়েও দেয়া হচ্ছে মাতৃত্বকালীন ভাতা আর দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভাতা নিতে আসা মহিলাদের। তেমনি এক চিত্র দেখা যায় প গড় জেলা শহরের সোনালী ব্যাংক কার্যালয়ে। মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সব বয়সী মহিলারা চরম দূর্ভোগে পৌঁছেছে।
মাত্র একজন অফিসার দিয়ে দেড় হাজার দুস্থ্য মহিলাদের মাঝে ভাতা বিতরণ করা হচ্ছে। ফলে অবর্ণনীয় দূর্ভোগ দুর্গতি পোহাতে হচ্ছে ভাতা নিতে আসা দুস্থ্য মহিলাদের
১৮জুলাই/১৯ বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা মহিলাদের চরম অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এসব মহিলারা বেশির ভাগই গর্ভবর্তী এমনকি অনেকের সস্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময়ও হয়েছে তারা অনেকেই শারীরিক সমস্যার মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে। একজন কর্মকর্তা দিয়ে বিপুল পরিমান মহিলাদের ভাতা প্রদান করায় র্দীঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে মাতৃত্বভাতা প্রাপ্ত মহিলাদের। সহায় সম্বলহীন ওইসব দুস্থ্যরা এ দুর্ভোগের কথা কিছু বলতেও পারছে না, সহ্যও করতে পারছে না।
উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মাতৃকালীন ভাতা নিতে আসা সেলিনা, পারভীন, হালিমা, শিল্পী, কমলা সহ বেশ কয়েকজন দুস্থ্য মহিলারা জানান, মঙ্গলবার, বুধবার দিনভর ছিলাম কোন কাজ হয়নি আবার আজকে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে গেলেও এখনও টাকা পাইনি। মাত্র একজন অফিসার দিয়ে আমাদের ভাতা বিতরণ করায় বাধ্য হয়ে দীর্ঘসময় অসুস্থ্য শরীর নিয়ে আমাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আমরা অতি সহজে ভাতা প্রাপ্তির দাবি জানাচ্ছি।
পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম মতিয়ার রহমান জানান, আমাদের জনবল সংকট ও অন্য কাজের চাপ থাকায় একজন অফিসার দিয়েই ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। এক সাথে ভাতা না দিয়ে ১ ও ২ টি ইউনিয়নে ভাগ করে দেয়ার কথা জানতে চাইলে বলেন, সামনে ঈদ-ঊল-আজহা বয়ষ্ক ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা দিতে হবে। এদিকে কর্ম দিবসও কম, এজন্য ভাগ করে দেয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আরোও বলেন, পঞ্চগড় সদরে জনসংখ্যার তুলনায় সোনালী ব্যাংকের শাখা একটি হওয়ায় মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত মহিলাসহ আরোও ভাতাপ্রাপ্তদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যদি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পঞ্চগড় শহরে আর একটি সোনালী ব্যাংকের শাখায় আবেদিত হয় এতটা ভীর হবে না।

মন্তব্য

মন্তব্য