সরিষাবাড়ীতে মামলার আসামীর ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মামলার বাদী ।

রাশেদুল ইসলাম,জামালপুর জেলা প্রতিনিধি // জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার ৩নং ডোয়াইল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্ধা মোছাঃ রাজিয়া সুলতানা (২৮) স্বামী মোঃ রফিকুল ইসলাম ।সাং – রায়দের পাড়া (পশ্চিম পাড়া )সরিষাবাড়ী ।গত ২৫/৩/২০১৯ইং রাত াানুমানিক ৯ ঘটিকার সময় একই এলাকার চরিত্রহীন কুখ্যাত যৌনসন্ত্রাসী মোঃ ওয়াহেদ আলী(৪৫) রাজিয়ার স্বামী মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রকৃতির ডাকে বাহিরে গেলে সেই সুযোগে ঘরেপ্রবেশ করে জোরপূর্বক জাপটিয়ে ধরে যৌন নির্যাতনের চেষ্টাকরে ।রাজিয়ার ডাক চিৎকারে স্বামী রফিকুল ঘরে ডুকে লম্পট ওয়াহেদকে দেখতে পায় এবং তাকে ধরার চেষ্টা করে ওয়াহেদ রফিকুল ইসলামকে লাথিমেরে ঘরের টিনের বেড়া ভেঙ্গে পালিয়ে যায় ।সেই ঘটনার এলাকাবাসি বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করে কিন্তু কুখ্যাত চোর ওয়াহেদ রফিকুল ও তার পরিবারকে দেখে ন্ওেয়ার হুমকি দেয় বাধ্য হয়ে ,রাজিয়া সুলতানা (২৮) স্বামী রফিকুল ইসলাম ৭/৪/২০১৯ইং তারিখে সরিষাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডাযেরী করে । থানায় ডাযেরীর খবর পেয়ে খিপ্ত হয়ে উঠে ্ওয়াহেদ ।বাধ্য হয়ে রাজিয়া সুলতানা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে লিখিত অভিযোগ করেন । রাজিয়ার অভিযোগ ও মোতাবেক তদন্ত করে পরের দিন ৯/৪/২০১৯ইং তারিখে কুক্যাত যৌন সন্ত্রাসী ওয়াহেদ (৪৫) কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে । ওয়াহেদ গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে এলাকার সাধারন মানুষ শান্তিতে নির্শাষ ফেলে ।অবৈধ অর্থের মালিক ওয়াহেদ টাকার জোরে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পায় ।মুক্তি পেয়ে বাড়ীতে এসে মামালার বাদী মোছাঃ রাজিয়া সুলতানাকে মেরে ফেলার হুমকি ও স্বামী রফিকুল ইসলাম ভেনচালক রফিকুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশে ওয়াহেদ ও তার ছেলে রাম দা নিযে ধ্ওায়া করে বলে যদি মামালা তুলে না আনিশ তাহলে পরিবারের সবাইকে শেষ করে দিবে । মামলার দীর্ঘ সুত্রধরে অভিযোগ মোতাবেক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী /০৩) এর ১০ ধারা অনুযায়ী এই মামালার আই/ও এস আই আরিফুল ইসলাম মামলাটি পূর্ণ তদন্ত করে গত-১২/৬/২০১৯ই  তারিকে আদালতে চাটসিট দাখিল করে ।মামলার চাটসিটের কথা শুনে লম্পট যৌন সন্ত্রাসী ওয়াহেদ ও তার ছেলে খিপ্ত হয়ে মামলার বাদীনি রাজিয়া সুলতানার স্বামী ভেনচালক রফিকুল ইসলামের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে ।সন্ত্রাসী ওয়াহেদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মামলার বাদীনি রাজিয়া সুলতানা ও স্বামী রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন । এই ঘটনার সুত্র ধরে তদন্ত করতে গিয়ে জানা যায় এলাকার বাসীর অভিযোগ ওয়াহেদ একজন কুখ্যাত সন্ত্রাস ইতিপুর্বে তার নামে অনেক কু-কৃর্তির কথা শুনা যায় ।ওয়াহেদের ভয়ে এলাকার সাধারন পরিবারের লোকজন অতিষ্ট । একজন নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামীর অত্যাচারে যদি মামলার বাদীকে বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হয় ।বাদ্য করা হয় হুমকি দ্ওেয়া হয় মামলা তুলে আনার জন্য তাহলে দরিদ্র সাধারণ মানুষ কোথায় গিয়ে পাবে তাদের বিচার ??।প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসির দাবি কুখ্যাত ওয়াহেদ এর হাত থেকে মামলার বাদির পরিবারকে রক্ষা সহ দিষ্টান্তমুরক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক ।

মন্তব্য

মন্তব্য