শার্শার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩২ পদে মধ্যে ২৮টি পদ শুন্য মুখ থুবড়ে পড়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থা

মোঃ জসিম উদ্দীন, বেনাপোল।
জনবলের অভাবে যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন বুরুজবাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর চিকিৎসা ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে।। হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার, এনেসথিয়া, গাইনি, সার্জারি, চক্ষু ও শিশুসহ কোন কনসালটেনন্ট নাই। ৩২ জন চিকিৎসের মধ্যে রয়েছেন ৪ জন। এর মধ্যে ১ জন মাতৃত্বকালিন ছুটিতে আছেন। বিভিন্ন শ্রেণির ১১৯ জন কর্মচারীর মধ্যে রয়েছে ৫৪ জন। স্বল্প জনবল দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষের এই জনপদে একমাত্র চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র ৫০ শয্যার নাভারন বুরুজবাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যা প্রতি ৬০ হাজার মানুষের জন্য একজন মাত্র ডাক্তার। বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোলে কয়েক হাজার শ্রমিক আমদানিকৃত পন্য নামানো উঠানোর কাজ করে এই বন্দরে। এসময় প্রায় শ্রমিকরা আহত হয়। ডাক্তারের অভাবে ম‚মুর্ষ রোগী নিয়ে যেতে হয় বেনাপোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দুরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে। যেতে যেতে পথে রোগী মারা গেছে এমন অভিযোগও রয়েছে।
২০১৮ সালে এ হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে উন্নিত হয়ে ৫০ শয্যায় রুপান্তরিত করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোন ডাক্তার বা জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে ৪শ’ রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। বহির্বিভাগে প্রত্যেক রোগীর কাছ থেকে টিকিটের জন্য ৫ টাকা করে আদায় করা হলেও রোগীরা কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না।
সরোজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় সকাল সাড়ে ৮টা থেকে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ১০টার আগে কোন চিকিৎসককে হাসপাতালে দেখা মেলে না। আবার বেলা ১টা বাজলে কোন ডাক্তারকে হাসপাতালে খুজে পাওয়া যায় না।সাথে আছে ডাক্তার, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের চরম র্দুব্যবহার। গত দুই দিনে সিজার করা রোগীর ডেসিং হয়নি এমন রোগীও হাসপাতালের বেডে শুয়ে যন্ত্রনায় ছটফট করতে দেখা গেছে। দুর-দুরন্ত থেকে রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে ডাক্তার না পেয়ে চলে যাচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিকল রয়েছে ।

মন্তব্য

মন্তব্য