চট্টগ্রাম কুমিরা – গুপ্তছড়া সন্দ্বীপ ঘাটে ৪ যাএীকে নদীতে ফেলে হত্যার চেষ্টা 

 

সন্দ্বীপ থানা প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মালিকানাধীন গুপ্তছড়া ঘাটে গত ২৭/৬/২০১৯ ইং ৪ যাএীকে অতিরিক্ত যাএীবোঝাই লাল বোটে  না ওঠায় দুই প্রবাসী ভাই কে পিটিয়ে নদীতে ফেলে হত্যার চেষ্টা চালায় লাল বোটের নৌযান শ্রমিকেরা। শ্রমিকদের পিটুনিতে আহত হন একই পরিবারের আরও দুইজন। জানা যায় কুমিরা – গুপ্তছড়া ফেরিঘাটের সন্দীপের অংশে এ ঘটনা ঘটে।
গুপ্তছড়া ঘাটে লাল বোটের নৌযান শ্রমিকের হামলার শিকার দুই প্রবাসী সোহেল ও তার ভাই শিবলু। মারধরের সময় তাদেরই ছোট ভাই শিহাব ও আহত হন। প্রবাসীর বাবা মানিক নিজের ছেলেদের মারতে দেখে প্রতিবাদ করায় বাবাকে নাজেহাল ও মারধর  করেন শ্রমিকেরা।
সুএ মতে জানা যায়,গত ২৭/৬/২০১৯ ইং কুমিরা থেকে সাভিস বোটে চড়ে সন্দীপ আসছিল একই পরিবারের সাতজন। সন্দীপের কুলে তীরে পানি কম থাকায় গুপ্তছড়া ঘাটের কুল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার সাভিস বোট নোঙ্গর করেন। সাভিস বোট থেকে লাল বোটের মাধ্যমে যাএীদের তীরে নামানোর কাজ করছিলেন লাল বোটের শ্রমিকেরা। এ সময় সোহেলদের লাল বোটে নামার জন্য বলেন বোটের মাঝিরা।লাল বোটটিতে ৫০-৬০ জন যাএী হওয়াতে তিনি পরে নামবেন বলে মাঝিকে জানান। এক পযায়ে মাঝি তার সঙ্গে খারাপ আচরন করে,প্রতিবাদ  করিলে জোর করে লাল বোটে নামিয়ে পেটানো শুরু করেন লাল বোটের শ্রমিকেরা।লাল বোটটিতে থাকা গাছ দিয়ে ৫/৬ জন মিলে মারধর করেন। ভাইকে মারতে দেখে অপর দুই ভাই এগিয়ে আসলে তারাও মারধরের শিকার হন মারধরের এক পযায়ে সোহেল ও শিবলুকে হত্যার উদ্দেশ্য নদীতে ফেলে দেয়। কুলে তুলে নিয়ে আবারও মারধর করে লাথি মেরে আবারও পানিতে ফেলে দেয়। প্রবাসী সোহেল ও তার ভাইকে এগিয়ে নিতে ঘাটে আসা বাবা বিষয়টি দেখিলে এসময় লাল বোটের শ্রমিকরা বাবা  মানিককে ও মারধর করেন। আহত চারজনকে সন্দীপে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তারের পরামর্শ মতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৮/৬/২০১৯ ইং তারিখে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
সন্দীপের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, জেলা পরিষদের  মালিকানাধীন এই ঘাটটি জেলাপরিষদ ইজারা না দিয়ে খাস কালেকশানের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে পরিচালনা করছেন এস এম আনোয়ার হোসেন। বিষয়টি সন্দীপের সাধারণ যাএীরা নৌপরিবহন মন্এী মহাদয়ের দৃষ্টি আাকষন করেন

মন্তব্য

মন্তব্য