কক্সবাজারে প্রভাবশালীদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা ৫১ একরের আবাসন প্রকল্প


মো:জাহেদুল ইসলাম (জাহেদ)কক্সবাজার শহরের আলোচিত কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্প তথা ৫১ একরে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে চলছে বেপরোয়া পাহাড় কাটা ও বসতি নির্মাণ।আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসন উদাসীন হওয়ায় অবস্থা আরও ভয়াবহ হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুদকের গণশুনানীতে আলোচিত ৫১ একরে আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষিত হওয়ার বিষয়ে দুদক কমিশনারকে অবগত করেন সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল মামুন।

তিনি বলেন,পাহাড় কেটে গড়ে তোলা সরকারী কর্মচারীদের আবাসন তথা ৫১ একরে স্থাপনা না করতে পাহাড় না কাটতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে।কিন্তু ৫১ একরে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।সেখানে প্রতিনিয়ত ভবন তৈরী হচ্ছে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের কোন তৎপরতাও নেই।এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কথা বলেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুল আফসার।তিনি বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর। সদরের এসিল্যান্ড যোগদান করেছে মাত্র এক সপ্তাহ আগে।দ্রুত ৫১ একরের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবে প্রশাসন।

প্রশাসনের কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পের নামে আলোচিত ৫১ একরে বিশাল পাহাড় কেটে সাবাড় করা হয়েছে।এই আবাসন প্রকল্পটি বাতিল করে উচ্চ আদালত।কিন্তু প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ভয়াবহ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধর করা হয়েছিল।প্রশাসনের ছত্রছায়ায় কর্মচারীরা পাহাড় করে ময়দানে পরিণত করেছে ৫১ একরে।

এই আবাসন প্রকল্পটি মূলত কর্মচারীদের নামে গড়ে তুলা হলেও অনেক কর্মচারী সেখানে প্লট পায়নি। সদর ইউএনও’র ড্রাইভার স্বপন, জেলা প্রশাসনের নাজির স্বপন সহ একটি সিন্ডিকেট একের পর এক প্লট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।এসব রাঘববোয়ালদের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত কক্সবাজার সাগরপাড়ের পাহাড়টি রক্ষা পাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।পরিবেশবাদী বলছেন,দুদক একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।দুদকও যদি পাহাড়টি ভূমিদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা করতে না পারে তাহলে আর কারও পক্ষে সম্ভব হবে না

মন্তব্য

মন্তব্য