বয়োবৃদ্ধ ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে জমি কবলার নামে বিক্রিত ভিটির দাগ দিয়ে ভূঁয়া কবলা শৃজন করে ভিটা ছাড়া করার পায়তারা

মোঃ সরওয়ার আলম চৌধুরী, বাঁশখালী থানা প্রতিনিধি : বাঁশখালী খালী পুঁইছড়ী গ্রামের হাছিয়াীর পাড়ার আব্বাসউদ্দিন (৪৭) পাড়ায় পাড়ায় ধানের বেপারি করে কোন রকম সংসার জীবন আতীবাহিত করছে সে।বিগত ২০বছর পূর্বে তার মা মারা যায়। ৬ বোনকে নিয়ে আব্বাস এই বিশাল সংসার একা চালিয়ে আসছিল। এরিমধ্যে আব্বাস এর সংসারে যোগ হয় আরো ৫ জন সদস্য, তার বাবার ২য় বিবাহ ও বাবার ঘরে আবার এক মেয়ে এক ছেলে রয়েছে। পুত্র আব্বাস ও তার দুই পুত্রের উপর সন্তোষ্ট হয়ে ২০১৫ সালে হেবা ঘোষনা মুলে যথাক্রমে মিনহাজ ও আব্দুরহমানকে (নাতি) ৪গন্ডা বা ৮শতক ভিটি হেবা ঘোষনা মুলে রেজিস্টারি করে দেন।এখানে তাদের একটি সেমিপাকা ঘর রয়েছে।আর একটি ভিটি প্রতিপক্ষ  সৈয়দ আহাম্মদ এর বাড়ীর পাসে অবস্তিত।এই ভিটিখানা মুলত আব্বাস তার বিভিন্ন ওয়ারিশগণদের কাছ থেকে খরিদ করে জমাভাগ খতিয়ান সৃজন করে তাতে একটি ৩টি ঘর রয়েছে।এতে একটিতে তার বোন,একটি তার বাড়ি ও একটি দোকান রয়েছে।এই ভিটিখানা বাশঁখালীর প্রধান সড়কের পাশে হওয়ার কারনে সৈয়দের কূনজরে পড়ে।কৌশলে আব্বসের সথ মা কে কব্জাকরে তার বাবাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যান সৈয়দের শশুর বাড়ী চাম্বল।বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ৮০ উরধো ঐ মোজাহের ফকির অর্থাৎ আব্বসের বাবাকে দিয়ে এক কবলা শৃজন করে সৈয়দের শশুর বাড়ীতে ঐ কবলায় ভিটির দাগ দিয়ে ৬ লক্ষ টাকা সংখ্যা লিখে নেয় সৈয়দ।যাহাতে একটি টাকার ও লেনদেন হয় নাই বলে মোজাহের ফকির হলপ করে বলেন।এতে সৈয়দের সাথে মুটোফোনে কথা বলে জানাযায় সে কেন সবাই কবলার সংখ্যা বাড়িয়ে লিকে।যদি কোনদিন মামলা হয় জায়গা না পেলে অন্তত ৬ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।আরো জানতে চাহিলে আব্বাসের সাথেকোন লেনদেন হয়েছে কি না?এক কথায় সৈয়দ বলে আব্বাস ও তার কোন অলি ওয়ারিশ কিছুই জানে না।এহেন অবস্থায় আব্বাসের নামে বিভিন্ন  মামলা মোকদ্দমা সৃজন করে দেশ ছাড়া করবে বা আত্নহত্যার পথ সৃষ্টি করে বাঁশখালী প্রধান সড়কের পাশে যে ভিটিখানা আছে দখলে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সে।অথচ আব্বাস ফৌঃকাঃবিঃ১৪৫ ধারা মতে বিজ্ঘ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত চট্টগ্রাম বরাবর ১৬১০/১৬ মিছ মামলা দায়ের করিলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে ভেঙ্গে পড়া ঘরটি মেরামতের আদেশ দেন। ঘরটি মেরামত করতে গেলে তাতে বাধা প্রদান করে সৈয়দ ও তার বিশাল বাহিনী।এতে ঘটনাস্থলে বাঁশখালী  থানার পুলিশ পৌছালে আব্বাস প্রানে বেচেঁ যায়।উক্ত কথাগুলি বলার সময় আব্বস ও তার পরিবার পরিজন আরথনাদে ভেংগে পড়ে।সামনে বর্ষাকাল কিভাবে এই ভাংগা ঘরে বসবাস করবে ভেবে ঘুম নেই দু চোখে।এদিখে প্রভাবশালী পাড়ার সরদার ও জুলুমবাজ সৈয়দ ও তার সন্ত্রাস বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে সংশ্লিষ্ট  প্রশাসন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মা জননী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছে অসহায় এই পরিবারটি।

মন্তব্য

মন্তব্য