কক্সবাজারের ঝড়ে ভেসে লবণ বিধ্বস্ত পানবরজ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মোঃজাহেদুল ইসলাম জাহেদ//কক্সবাজারের হঠাৎ বয়ে যাওয়া ঝড়ে উপক‚লীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।বৃষ্টিতে ভেসে গিয়ে লবণ এবং ঝড়ের তান্ডবে বিধ্বস্ত হয়েছে বিপুল পানবরজ। কুতুবদিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, টেকনাফ এবং কক্সবাজারের সদরের পোকখালী, চৌফলদন্ডী বৃষ্টিতে ভেসে গেছে বিপুল পরিমাণ লবণ।অন্যদিকে মহেশখালীতে ঝড়ের তান্ডবে বিধ্বস্ত হয়েছে বিপুল পরিমারণ পানের বরজ।এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতি হয়েছে। সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি)সকালে হঠাৎ নেমে আসা ঝড়ের প্রচন্ড বাতাসের সাথে তুমুল বৃষ্টি বিপর্যস্ত হয় জনচলাচল যার প্রভাবে নিমিষেই ভেসে গেছে কুতুবদিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, টেকনাফ এবং কক্সবাজার সদরের পোকখালী,চৌফলদন্ডীর মাঠে থাকা লবণ যাতে অন্তত পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয় বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।অন্যদিকে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ায় মহেশখালীতে পাহাড়ি ও বিলের বিপুল পরিমাণ পানের বরজ বিধ্বস্ত হয়েছে।এছাড়াও অন্যান্য পানবরজগুলো নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এতে প্রায় কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে ধারণা করেন ক্ষতিগ্রস্তরা। জানাযায়,আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় মাঠে ছিলো লবণ কিন্তু আকস্মিক বৃষ্টি হওয়ায় কুতুবদিয়ার সব মাঠের লবণ ভেসে গেছে।হঠাৎ বৃষ্টি নেমে আসায় অনেকে চেষ্টা করেও লবণগুলো গোছাতে পারেনি। মহেশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হোছাইন ইব্রাহিম জানান,বর্তমানে মহেশখালীতে পাহাড়ি ও বিলের পানবরজের ভর মৌসুম।তাই পানের সর্বোচ্চ ফলন ও দামও অনেক বেশি রয়েছে। কালবৈশাখীর দিন এখনো না আসায় পানবরজগুলো মেরামত করা হয়নি।যা আরো কিছুদিন পর মেরামত করা হতো।প‚র্বাভাস ছাড়াই আকস্মিক কালবৈশাখীর মতো ঝড় হওয়ায় মহেশখালীতে প্রায় এলাকায় অনেক পানের বরজ বিধ্বস্ত হয়ে গেছে।একইভাবে বিধ্বস্ত না হলেও অন্যান্য বরজেরও নানাভাবে ক্ষতি হয়েছে।এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, আকস্মিক ঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাতে জেলাজুড়ে অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয় করা যায়নি।

মন্তব্য

মন্তব্য