কেসের তারিখ দেখতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকির শিকার সাংবাদিক তরিকুল


পঞ্চগড় প্রতিনিধি//
পঞ্চগড় জেলাধীন তেঁতুলিয়া উপজেলায় বাড়ি সাংবাদিক মুহম্মদ তরিকুল ইসলামের। সাংবাদিক তরিকুল একদিকে যেমন ধর্মভীরু অন্যদিকে তেমনি সহজ-সরল জীবন যাপনকারী ব্যক্তি। তিনি সরকার বাহাদুরের একজন নিষ্ঠাবান ভক্তিত্ববটেও। তার লেখা-লেখি পেশাতেই রয়েছে রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী ও জামাত-শিবীরের বিরুদ্ধে। সাংবাদিক হিসেবে তরিকুলের অবদান রয়েছে বলেও আমরা মেডিয়াগণ মনে করি। কেননা, তিনি একজন সৎ, নির্ভিক ও অন্যায়ের প্রতিবাদি। তার সঠিক সাংবাদিকতায় শিরোনাম প্রকাশিত হওয়ায় প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছিলেন উল্লেখিত মামলার আসামীগণ। মামলা সূত্রে বাদী জানান, গত ৩১ আগষ্ট/২০১৭ইং বিজ্ঞ আমলী আদালত-৪, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়-এ ফরিয়াদি হইয়া দন্ডবিধির ৫০৬(২) ধারায় সাংবাদিক মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম মামলাটি দাখিল করেন। যার মামলা নং- সি.আর ৫৪১/১৭। এতে আসামীভুক্ত হইতেছে ৫জন। আশরাফুল, আতাউর, আতিকুজ্জামান, সোহরাব ও আনোয়ার হোসেন। মামলার তারিখী হাজিরা দেয়ার এক পর্যায়ে গত ১৭ জানুয়ারি/১৯ তারিখ দিন ধার্য্য থাকিলে বাদী সহজ-সরল ও সুষ্ঠ মনে মামলায় স্বাক্ষীভুক্ত ৪নং স্বাক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে কোর্টে হাজিরা দিতে গেলে আসামীগণ মামলাটি আপোষ কিংবা তুলে নিতে বলেন। বাদী দ্বি-মত পোষণ করলে মামলায় আসামীভুক্ত ২নং আসামী চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ভবনের(নতুন) ৩য় তলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩য় আদালত, পঞ্চগড়-এর দরজার সামনে হাজিরার প্রেক্ষিতে ম্যাজিষ্ট্রেটের ডাক না আসার পূর্বে অনুমান ১:৩৫ ঘটিকার সময় বাদী ও তার স্বাক্ষীকে জর্জড়িত ও হতভম্ব করার লক্ষে নানান ভয়ভীতির হুমকি দিতে থাকেন আসামী। বাদী আরোও জানান, আসামী বাদীকে নানান মামলায় ফাসিয়ে জেল হাজতে পাঠাবেন। অপরাপর বাদীর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি বাদশা সুলাইমানকে মুঠোফোনে ফোন দিয়ে বলেন, তোদের ইউনিয়নের সাংবাদিক তরিকুল খুব বেড়ে গেছে তাকে নানান মামলায় ফাসিয়ে দিতে হবে। আমি যেভাবে হোক তাকে ছাড়বো না। ইত্যাদি ইত্যাদি।
মামলা সূত্রে জানাযায়, মামলায় তালিকাভুক্ত আসামীগণ স্বাক্ষীগণকে প্রাণ নাশের হুমকি এবং বাদী ও তার বাবাকে সাইজ করবে, তাদের দাড়ি উপড়ে ফেলার হুমকি দেয়। বিভিন্ন কটুক্তি ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ পূর্বক তরিকুল সাংবাদিকতা পেশা ছাড়িয়া না দিলে তার জীবন চিরতরে খতম করিয়া দিবে। উক্ত মামলার বাদী পক্ষে এ্যাডভোকেট আব্দুল আল মামুন জানান, মামলাটি বিচারাধীন ফাইলে আছে। স্বাক্ষীর জন্য ম্যাজিষ্ট্রেট আদেশ প্রদান করেছে। আমার বাদী একজন ধর্মভীরু ও সৎ ব্যক্তি। তিনি সাংবাদিক ও ইঞ্জিনিয়ার বটে।

মন্তব্য

মন্তব্য