কথিত সোর্সদের কারণে পুলিশের দূর্নাম ছড়ায় বেশী।

এম.জি.কিবরিয়া:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশের গৌরব ময় ভূমিকা রয়েছে। একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছে যাদের কর্মক্ষেত্রের সফলতার কাহিনী বা সুনাম এখন ও মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়। বাংলাদেশের অনেক আলোচিত রহস্য জনক মামলার মুখোস উম্মোচন করার সফলতা রয়েছে। দেশে-বিদেশে চিহ্নিত আলোচিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার সুনাম ও রয়েছে। কিন্তু পুলিশ নিয়ে বর্তমান সমাজে অনেক মুখরোচক সমালোচনা ও রয়েছে। কিন্তু কেন? অনুসন্ধানে জানা যায় পুলিশ যখন কোন চিহ্নিত সন্ত্রাসী কিংবা আসামীকে গ্রেফতার করার উদ্যেগ নেয় তখনই তার অবস্থান জানার জন্য প্রথমেই নির্ভরশীল হয়ে পরে কথিত সোর্স এর নিকট। কিন্তু এই সোর্সদের দেখা যায় চিহ্নিত ও অপকর্মকারীদের সাথে রমরমা সম্পর্ক যদি সোর্স এর পূর্ব-পরিচিত বা গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে তাহলে অপারেশন টু-গ্রেফতার এর পূর্বেই স্থান পরিবর্তন করে সটকে পরে যার কারণে ব্যর্থ হয় অপারেশ-টু গ্রেফতার কিন্তু অপারেশন-টু-গ্রেফতর ব্যর্থ হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী হল সোর্সরা সম্ভব হলে সরাসরি সাক্ষাতের মাধ্যমে অথবা মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে আগেই জানিয়ে দিয়ে গ্রেফতার এড়াতে সহযোগিতা করে যার দরুন পুলিশ ঝুকি নিয়ে হলে ও অপারেশনে মুভ করে কিন্তু ফলাফল ব্যর্থ্য করে দেয় এই কথিত সোর্সবা । আমার মতে এটা কিন্তু রাষ্ট্র দোহিতার অপরাধ করেছে বলে প্রতিয়মান হয়। কিন্তু ব্যাপারটি প্রকাশ্যে হয় না বলে প্রমানিত করা দূরহ এমন ঘটনা কিন্তু অতীতে অহরহ ঘটার প্রমান পাওয়া গেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে পুলিশ রাগ করে সোর্স কে লাঠি পেটা করেছে অথবা কোন মামলায় চালান করে দিয়েছে কিন্তু কিছু দিন পর যেই লাউ-সেই কদু। এভাবে একের পর এক ধারাবাহিক অপকর্ম সোর্সরা চালিয়ে যাচ্ছে ধাপটের সাথে। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় সোর্সদের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহসী লোকের অভাব রয়েছে। আবার অনুসন্ধানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে যে সোর্স এর অপকর্মের প্রতিবাদ কিংবা সাক্ষী দিয়ে পরবর্তীতে সোর্স এর জ¦ালা যন্ত্রনায় মহলা থেকে ভদ্রলোক বাসা বদল করে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। এভাবে প্রতিটি অপরাধ পবনতার সাথে সোর্সরা কিছু না কিছু কোন না কোন ভাবে জড়িত হয়ে পরেছে বিশেষ করে আর্থিক ফায়দাও লুটছে। বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা কারীদের নিকট থেকে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে মাসো হারা আদায়ের অনেক নজীর রয়েছে কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার হল বর্তমানে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে, গ্রামে গঞ্জে সমাজের অলি-গলিতে অবাদে মাদক বেচা- কেনার সাথে কিন্তু এই সোর্সরা জড়িত দেশের তরুন সমাজ যে ভাবে মাদক নির্ভর হয়ে পরেছে তা থেকে উত্তরনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং উদ্বিগ্ন তাই মাদক নির্মূলের জন্য র‌্যাপিড় একশন ব্যাটালিয়ান র‌্যাব কে বিষেশ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং র‌্যাব এর মহা-পরিচালক মাদক নির্মূলকে চ্যালেন্স হিসেবে নিয়েছেন এবং জোড়ালো অভিযান অব্যাহত আছে। চিহ্নিত কিছু মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও হয়েছে। (চলবে)

মন্তব্য

মন্তব্য