আনসার-ভিডিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ৩৯তম সমাবেশ উদ্বোধন আজ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে অব্যাহত প্রয়াস চালাতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার পাশাপাশি আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে অবিরাম কাজ করে চলেছেন। ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ বাহিনীর সদস্যরা ছড়িয়ে রয়েছেন। সুশৃঙ্খল এ বাহিনী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের প্রয়োজনে সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরা নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের প্রয়োজনে সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আজ শনিবার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ৩৯তম সমাবেশ উদ্বোধন করা হবে সকাল সাড়ে ৯টায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ। একুশে টেলিভিশন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে অব্যাহত প্রয়াস চালাতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার পাশাপাশি আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে অবিরাম কাজ করে চলেছেন। ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ বাহিনীর সদস্যরা ছড়িয়ে রয়েছেন। সুশৃঙ্খল এ বাহিনী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের প্রয়োজনে সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরা নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাহিনীটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন পূর্ববাংলা আইন পরিষদে আনসার অ্যাক্ট অনুমোদিত হলে ১৭ জুন ১৯৪৮ সালে তা কার্যকর হয়। তখন থেকে এ বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত হতো। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধকালে দেশের সীমান্ত ফাঁড়িগুলোতে আনসারদের প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ শেষে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে আনসার প্লাটুন কমান্ডার ইয়াদ আলীর নেতৃত্বে ১২ জন আনসার সদস্য গার্ড অব অনার প্রদান করে। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে আনসার বাহিনীকে বিদ্রোহী আখ্যায়িত করে বিলুপ্ত করা হয়। প্রায় ৪০ হাজার রাইফেল নিয়ে আনসার সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়। যুদ্ধে আনসার বাহিনীর ৯ কর্মকর্তা, ৪ কর্মচারী ও ৬৫৭ আনসারসহ মোট ৬৭০ জন শহীদ হন। এ বাহিনীর একজন বীরবিক্রম এবং দু’জন বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সাভারে আনসার বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। ১৯৭৬ সালে গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি) ও ১৯৮০ সালে শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) সৃষ্টি হয়। পরে এ দুটি বাহিনী আনসার বাহিনীর সাথে একীভূত হয়।

১৯৭৬ সালে গাজীপুরের সফিপুরে জাতীয় আনসার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (এনএটিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৩ সালে এর নামকরণ হয় আনসার ট্রেনিং স্কুল। ১৯৮৬ সালে আনসার ট্রেনিং স্কুলকে আনসার একাডেমিতে উন্নীত করা হয়। ১৯৯৫ সালে এর নামকরণ হয় আনসার-ভিডিপি একাডেমি।

মন্তব্য

মন্তব্য