অপরাধ ও মাদকমুক্ত করে আধুনিক থানায় রূপান্তর করতে চাই – মো: ইফতেখার হাসান

মনজোর আহমেদ সোহেল, চট্টগ্রাম (বন্দর) প্রতিনিধি:
একজন মেধাবী, নিরপেক্ষ আর পরিশ্রমী সাহসী পুলিশ অফিসার বিশের মানচিত্রে অমর। সকল অপরাধীদের সনাক্তকরন প্রকৃত শক্তির উৎস সহ নিরপেক্ষ ভূমিকায় আদালতে প্রেরন যাদের হাতে ন্যস্ত থাকে তারা হলো পুলিশ বাহিনী। মহামান্য আদালত বা বিচারক কখনো কোন আসামীকে ফাঁসী দেয়না, ফাঁসীর দন্ড হঢ পুলিশ অফিসার কতৃক সিএ প্রেরণে। বিশ্বের প্রতিটি রাষ্টে যদি পুলিশ বাহিনী না থাকতো তবে সে দেশে কখনো আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হতো না। এই কােন যে দেশের পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম যত উন্নত সে দেশের সু-শাসন অর্থনৈতিক অবস্থাও তেমন উন্নত। এছাড়া যে দেশের পুলিশ বাহিনী যত কর্মঠ সে দেশের জনগন তত শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং দেশ প্রেতিক।

একজন সামান্য সাংবাদিক হিসাবে আমার মনে হয়, দেশের নিয়ম বা অনিয়ম ঘটনাবলী সম্পর্কে সত্যকে উৎঘাটন করে, সৎ ও সাহসিকতার সাথে নিরপেক্ষ ভাবে আইন এবং সামাজের কাছে তুলে ধরে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ -মো: ইফতেখার হাসান। ছোট জীবনে পুলিশ বাহিনী নিয়ে অনেক লেখা পড়েছি, হবে পুলিশ বাহিনীর মধ্যে অনেক সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা রয়েছে যারা জীবন বাঁজি রেখে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। আজ এমনই এক সাফল্যের বরপুত্র কে নিয়ে আমার আজকের এই উৎসাহ মূলক প্রতিবেদন।

গত ৫/৯/২০১৮ সিতাকুনডু থানা থেকে একই জেলার জোরারগঞ্জ থানা সুনামের সাথে যোগদান করেন অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। তবে ২০১৮ সালে যোগদানের পর থেকে তার চৌকস অফিসারদের নিয়ে রাত দিন কঠোর পরিশ্রম করে , নিজের সাহসী পদক্ষেপ আর কোটকৌশল জোরারগঞ্জ থানায় মাদকপাচার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী, জাল টাকা ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চোর ডাকাত বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অবদা রেখেছেন। যার ফলে স্থানীয় থানার ও পুলিশ বিভাগের প্রতি জোরারগঞ্জ থানার জনগনের স্বস্তি আাসা ও বিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।

ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ থানা অন্য কেউ এমন অল্প সময়ে বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে সম্পন্ন হয়নি। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ থানার । আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা প্রশাসনের পাশাপাশি সকল জনগনের নৈতিক দায়িত্ব। কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। তাই অপরাধ দমনে স্থানীয় জনগণকে প্রশাসনের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে । তিনি আরো বলেন বর্তমান সরকার অবহেলিত এলাকা ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে তিনি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মী হিসেবে এ এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে যাবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন ।

তিনি আরো বলেন এলাকার জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সহযোগিতা করলে মাদক প্রতিরোধ করা সম্বব। তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, মদ গাজা ইয়াবা কোথায় বিক্রি করা হঢ আপনারা আমাকে জানাবেন আমি তাদের কে আটক করার ব্যবস্থা করবো। যদি আপনারা পুশিলকে সহায়তা করেন তাহলে বিভিন্ন জঘন্যতম অপরাধ নির্মুল করা সম্বব হবে। যেমন মাদক, জুয়া, ইয়াবা, ইভটিজিং ইত্যাদি। এখন থেকে প্রতিমাসেই গুরুত্ব সহকারে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। আপনরা পুলিশ প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন। আপনারা যদি আমার সাথে থাকেন তাহলে আমি চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ থানা নেশা মুক্ত করবো ইনশাল্লাহ। এছাড়াও অফিসার ইনচার্জ বর্তমানে অত্যান্ত মেধাবী এই অফিসার কঠিন পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ আইন-শৃঙ্খলাকে পূর্বের থেকে অনেকটা স্বাভাবিক করেছেন । তার কঠোর হস্তক্ষেপে চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ সড়কের ডাকাতি, মাদক পাচার ও অন্যান্য অপরাধ দমনে অনেকটা সফলতার ঝুলিতে ।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, -ওসি মো: ইফতেখার হাসান এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তিনি এ থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যা”চ্ছেন। এ কারনে ক্রমশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে বলে জনগনের দাবী। তাছাড়া একাধিক ভুমিদূস্যতা, দখল-বেদখল, মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি সহ আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রম রাখায়, পারদর্শীতা দেখিয়েছেন তিনি। ডিপার্টমেন্টে বহুবার সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে পুরষ্কৃত হয়েছেন।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, ওসির চাকুরী জীবনে প্রসংশনীয় কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ জনগনের আস্থা অর্জন করেন অতি সুনামের সাথে। চাকরি জীবনে কখনো তিনি নিজের জর্ন ভাবেননি। বরাবরেই জনগনের জানমাল রক্ষায় জীবন বাজি রেখে এগিয়ে গেছেন সততার সাথে। জীবনে নিজেকে কখনো পুলিশ অফিসার ভাবেননি , ভেবেছেন নিকেকে জনগনের সেবক। নিজেকে দিয়ে প্রমাণ করতে চেষ্টা করে যাচেছন বাংলাদেশের পুলিশ জনগনের বন্ধু। জোরারগঞ্জ অপরাধ দমন ছাড়াও আইন-শৃঙ্খলার উন্নতিকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সরকারের, স্বরাষ্ট মন্ত্রনালয় নির্দেশনা মোতাবেক থানায় মাদক, ইয়াবা, চুরি, ছিনতাই, জিরো টলারেন্সে নিয়ে আসার জন্য তার চেষ্টা অব্যহৃত রয়েছেন। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলের বিসয়ে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করছেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বরেন, সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে আমার কোন আপস নেই। এর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে পুলিশের । কোন ছাড় দেয়া হবে না।

এছাড়া থানার পুলিশকে জনবান্ধব পুলিশে রূপান্তরিত করতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে জানান। অপারেশনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সচেতন মূলক সেমিনার করেন তিনি। এসবই মাত্র কয়েক মাসে অর্জন করতে পেরেছেন নিজের সততা আর কর্ম স্পৃহার গুনে। নারী পুলিশ দিয়ে নারী আসামীদের গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করে, নতুন ইতিহাস গড়েছেন থানায়। সত্যিই তিনি বারবার প্রমান করতে চেয়েছেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু, জনগনের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব বিশেষত্ব পুলিশের।

ওসি মো: ইফতেখার হাসান বলেন, পুলিশ মানে আতংকিত কোন বাহিনীর নাম নয়, কারনে অকারনে মানুষকে থানায় ধরে নিয়ে নির্যাতন করার জন্য নিয়োজিত কিছু সরকারি মানুষ ওরাই পুলিশ এই ভ্রান্ত ধারণাই সাধারণ মানুষের।

এটা তিনি বদলে দিয়ে যা”চ্ছেন। তবে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন পুলিশের মধ্যে শিক্ষিত উ”চ শিক্ষিত অফিসার নিয়োগ পেয়েছে, যারা সাধারণ জনগনের এনালগ ধারণাকে পাল্টে দিতে বেশি সময় নিবেনা।

অন্যদিকে থানায় আসার পর অবদান রেখেছেন নানা মামলা, নানা জটিলতা, নানা সেমিনার, নানা সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সহ, মতলব উত্তর থানায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় যুক্তিপূর্ন বক্তব্য, সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস, িিপলশের উদ্যোগে বাল্য বিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধক সেমিনার, সাড়াশি অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার, থানা কম্পাউন্ডে মাদক দ্রব্য ধ্বংস,অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পরিবারে হস্তান্তর।

চট্টগ্রাম জোরারগঞ্জ থানা থানার মতো বাংলাদেশের প্রতিটি থানায় যেনো -মো: ইফতেখার হাসান মতো সাহসী মেধাবী চৌকস পুলিশ অফিসার জন্ম নেয়, তাহলে বাংলাদেশের জনগনের পুলিশ সম্পর্কে ভুল ধারনা অল্প সময়েই পাল্টে যেতো। যেহেতু যারা জনগণকে সত্যিই প্রজাতন্ত্রের মালিক মনে করে তাদের ভেতরে কখনো পঙ্কিলতা থাকেনা। তেমনি এক অফিসারের নাম আজকের ওসি মো: ইফতেখার হাসান । সত্যিকার পুলিশ অফিসারের কাছে রাষ্টের দেওয়া গুরু দায়িত্ব ও ন্যায় বিচার ,সততা এবং অসহায়- ইফতেখার হাসান মানুষের কান্নার জল অনেক দামি।আমরা আশা করবো যতদিন বেচে থাকবেন ততদিন যেনো নিজেকে জনগনের স্বার্থে উৎসর্গ করে কাজ করে যেতে পারেন তিনি। পুলিশ কখনো কারো স্বার্থে কাজ করেনা পুলিশ জনগনের বন্ধু, জনগনকে পুলিশের উপর আস্থা রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন,সকলের দুষ্টিপাত বদলে নিই, জীবন বদলে যাবে, আার জীবনের সাথে পুলিশের সেবা সব সময় থাকবে।

মন্তব্য

মন্তব্য