চট্রগ্রামে ইয়াবা আটকের জেরে কক্সবাজারে মালিক শ্রমিক পক্ষের দন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক//চট্রগ্রামে একটি ইয়াবার চালান আটকের সুত্র ধরে কক্সবাজারে চলছে দু পক্ষের দন্ধ।চালানটিতে চুনুপুটি আটক হলেও ধরা ছুয়ার বাহিরে রয়েছেন মুল বাঘব বোয়াল।পুলিশের হাতে আটক ব্যক্তির মুখ বন্ধ রাখতে আটকের পরিবারের উপর চালানো হচ্ছে কৌশলে নানা প্রকার দমন পিড়ন।সূত্রে জানা যায়,কক্সবাজার শহরের ৯নং ওয়ার্ড এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে মোঃনাজিম উদ্দিন(২৫)গত১৭ সেপ্টেম্বর রাত আটটার দিকে ২২ লাখ টাকা মূল্যের ১১৩০০ পিস ইয়াবা সহ আটক হন চট্রগ্রামের কর্ণফুলি থানায়।উক্ত ইয়াবার সুত্র ধরে অধ্যাবদি চলমান রয়েছে দাঙ্গা হাঙ্গামা।আটকের বড় ভাই মামুনের তথ্য মতে আটক নাজিম কক্সবাজার ফিশারি ঘাট এলাকার সুমন,মুজিব,ফরিদ,ওহোসেনের যৌথ মালিখানাদিন বিসমিল্লাহ ফিশিং নামক একটি কমিশন এজেন্টের শ্রমিক।তাই প্রতিবারের ন্যায় উক্ত এজেন্টের মাছ ভর্তি(চট্রমেট্রো-ড-১১-২৮৪৯)রেজিঃনাম্বারের গাড়ির সাথে তিনি শ্রমিক হিসেবে মাছের চালান নিয়ে যায়।গাড়িটিতে আটক ব্যক্তি ছাড়াও চালক আমিন এবং হেল্পার সহ তিন জন ছিল।মাছের চালান নিয়ে চট্রগ্রাম ডুকার আগে কর্ণফুলি থানা পুলিশের তলাশী চৌকিতে থামাতে চাইলে ড্রাইভার হেলফার দুজন পালিয়ে গেলেও সীটের নিছ থেকে উক্ত ইয়াবা সহ নাজিমকে আটক করে।পরবর্তিতে পলাতকের সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় নমুনা ঠিকানা দেখিয়ে তিন জনের বিরুদ্ধে মাধক আইনে মামলা দায়ের করা হয়।আটকের সূত্রে নাজিমের পরিবারের পক্ষ থেকে এজেন্টের মালিক পক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে ছাড়িয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বস্থ্য করা হয়।প্রদত্ত আশ্বাস বিলম্বিত হলে দু পক্ষের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।সংঘর্ষের জ্বের ধরে পুনরায় মালিক পক্ষের ফরিদ বাদি হয়ে আটকের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডের থানায় মারধর করত মটর সাইকেল চিনতায়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।তিনি আরো জানান,উক্ত এন্টার প্রাইজের একই ভাবে আরেকটি গাড়ি ইয়াবা সহ আটক হয়ে উখিয়া এলাকার বাবুল নামের এক শ্রমিক কারাগারে আটক আছেন।এ বিষয়ে মালিক পক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে মটর সাইকেল মামলার বাদি ফরিদ কোন প্রকার মতামত বিহীন এড়িয়ে গেলেও উক্ত এজেন্টের অংশিদারি মালিক মুজিব জানায়,আমরা আটক নাজিমের জন্য মানবিক চিন্তা করে সহযোগিতার চিন্তা করে ছিলাম।যে জন্য ইতিমধ্যে আটক নাজিমের জন্য শিকৃতি স্বরুপ এজেন্টের পক্ষ থেকে সুনের স্বাক্ষরিত একটি প্রত্যায়ন পত্র তার পরিবারের নিকট দেয়া হয়েছে।কিন্তু নাজিমের বড় ভাই কতৃক আমাদের ব্যবসায়িক অংশিদার ফরিদকে হামলা করার দ্বরুর তা আর সম্ভব নয়।ইয়াবা বহনে উল্লেখিত গাড়ির চালক এবং হেল্পার দুজনকে আমরা খুঁজতেছি এবং যেই ট্রান্সপোর্ট থেকে গাড়ি ভাড়া করেছি তাদের সাথেও আমাদের দন্ধ লেগেছে যে জন্য তাদের আরেকটা গাড়ি আমরা জব্দ করে রেখেছি।ইয়াবা সহ আটক দু শ্রমিকের বিষয়ে জানান তারা ইয়াবা ব্যবসা করতে পারে তাতে আমরা জড়িত নয় বলে জানান।অপরদিকে ইয়াবার বিষয়ে দৃশ্যমান নাটকিয়তায় এলাকাজুড়ে এক মিশ্র প্রতিকৃয়ার সৃষ্টি হয়।

মন্তব্য

মন্তব্য