পথ শিশুদের আনন্দময় হোপ ভ্রাম্যমাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় 

এম.এ. আলম শুভ //
বর্তমান সময়ে পথ শিশুদের তেমন একটা প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করার সুযোগ হয়না, যেখানে নুন আনতে পান্তা ফুরাই সেখানে অভাবের ঘরে পড়া লিখা কি কখনো হয়? অভাবের তাড়নায় ভুলে যায় পড়ালেখা কি, তাদের মনে প্রশ্ন জাগে  তাদের কি পড়ালেখা করার অধিকার নেই? অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক খাই, তাছাড়া পরিবাত চাইলেও আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ার কারনে বাচ্চাদের পড়ালেখা করাতে পারেনা।তখন তাদের ও নামতে হয় কাজে, একটা ৬ বছরের বাচ্চা বুঝে কাজ কি, এক মাত্র অভাবের তাড়নায়, খিদা যখব ঘুমোতে দেয়না ঠিক কাজই হয় তাদের প্রথম উপার্জনের একমাত্র ভরসা৷ তখন তাদের হইতো দেখা যায় কোনো গাড়ির হেল্পার হিসেবে, নইতো দোকানের কর্মচারী ।শিশুশ্রম অপরাধ জেনেও তাদের কাজ দিতে হয় কারন কতদিন দান নিয়ে চলবে?  কিন্ত এমন কিছু মানুষের জন্য গরীব অসহায় বাচ্চাও পড়ালিখা করতে পারে৷ তাদের প্রাথমিক শিক্ষাটুকু দেওয়ার জন্য অনেক মানুষ ভাবে৷ তাদের একজন নুরুল ইসলাম বিএসসি৷ চট্টগ্রামের একজন রাজনীতিবীদ, তিনি পথ শিশুদের জন্য করে দিয়েছেন হোপ প্রাথমিক ভ্রাম্যমাণ স্কুল  যেখানে অনেক শিশু একটি বাসের মধ্যে ভ্রমণ করে আনন্দের সাথে পড়ালেখা শিখছেন৷ অনেকে খুশিতে আত্নহারা৷ কারন যারা কোনোদিন ভাবেনি পড়ালেখা করতে পারবে আজ তারাও খুব ভালো করে পড়ছে৷(৪ই নভেম্বর ২০১৮)  নগরীর লালখান বাজার এলাকায় একট ভ্রাম্যমাণ স্কুল বাস করে অনেক পথ শিশু বই খাতা নিয়ে অনন্দের সাথে নামছে, তাদের পাঠদান নিয়ে হইতো এই উল্লাস, অনেক কিছু শিখার আগ্রহ হইতো তাদের বাড়াচ্ছে। অনন্ত সবার প্রাথমিক পর্যন্ত পড়ালেখা করা উচিত৷

মন্তব্য

মন্তব্য