দুর্নীতিতে নিঃশ্ব কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম  

মোঃজাহদেুল ইসলাম(জাহেদ)//প্রধানমন্ত্রীরএকান্ত আন্তরীকতায় প্রতিষ্টিত কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম চরমঅনিয়মএবং কতিপয় দুর্নীতিবাজ  কর্মকর্তাদের কারনে প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক ২০১৩ সালে স্বপ্নের এই বৃহৎ ক্রীড়াপ্রতিষ্টান উদ্বোধন করলেও তা এখনো পূর্নতা পায় নি।কোন প্রকার অবকাঠামো বিহীনএকটি গ্যালারীতেই চলমান রয়েছে উক্ত ষ্টেডিয়াম।যেজন্য পরিপূর্ণ কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্টিত হয়নি এই মাঠে।সাম্প্রতিক সময়ে বয়স ভিত্তিক দেশি বিদেশি ক্রিকেট ম্যাচের জন্য দেওয়া বাজেটেরবেশির ভাগই লুটপাট হওয়া ছাড়াও শুরুর দিকে উন্নয়ন খাতের বিপুল অর্থের বেশির ভাগই নষ্ট হওয়ার মত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।প্রকাশ পায় মাঠ সংস্কার সহ নানান কাজে ভূয়া বিল ভাউচার করে বিপুল টাকা আত্বসাৎ করছে ভ্যানু কর্ডিনেটর সহ কতিপয় কর্মকর্তাগন।উল্লেখ্র বিষয়ে সহমত প্রকাশে ষ্টেডিয়ামের ভ্যানু কর্ডিনেটর আহসানুল হক বাহার বলেন দেশের প্রধান পর্যটন নগরীর এই ষ্টেডিয়াম ও ক্রিকেট কমপ্লেক্সগড়ে তুলা হলেওপরিপূর্ন আর্ন্তজাতিক ম্যাচ অনুষ্টিত হয়নি।তাই অবকাঠামো গত উন্নয়ন এবং মাঠ সংস্কার করা না হলে আর্ন্তজাতিক ম্যাচআয়োজন সম্বব নয়।তিনি বলেন বিসিবি কতৃক ২২ জন কর্মচারী নিয়মিত নিয়োজিত উক্ত ষ্টেডিয়ামে রয়েছে ৩ টি গ্রাউন্ড,এবং ৩৬ টি পিচ যা দেশেআর কোথাও নেই।তথ্য প্রধানে ভুমিকা রাখলেও বছরে কি পরিমান বাজেট বরাদ্ধ আসে বা মাঠ সংস্কারে কি পরিমান বাজেট আসে তা জানাতেঅস্বিকৃতি জানান তিনি।যদিওবা মাঠ সংস্কারের নামে বাইরে থেকে শ্রমিক এনে এবং গাড়ীর খরচ,তেল ও মেরামত বাবদ কোটি টাকার ভুয়া বিলভাউচার করে ভ্যানু কর্ডিনেটর সহ কতিপয় কর্মকর্তা এবং তার হিসেব ঢাকা পর্যন্ত পৌছে দিয়ে বিপুল টাকা আত্বসাৎ করার মত গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির বিরুদ্ধে।মাঠ ঘুরে দেখা যায় ২০১৩ সালের পর মাঠের এক পাশে চেঞ্জিং রুম এবং আনসার ক্যাম্প সহ কিছু ঘেরাবেড়া দেওয়াহয়েছিল যার ব্যয় দেখানো হয় অর্ধকোটি টাকা যদিওবা৫ বছরের মাথায় সেই সমস্ত উন্নয়ন কর্মকান্ডের দৃশ্যমান কোন অস্তিত্ব নেই যার সব কিছুভেঙ্গে  গড়ে তোলা হয়েছে নতুন <span style=”font-size:12pt;line-height:115%;font-family:”Nirmala UI”,sans-serif;color:rgb(51,51,51)

মন্তব্য

মন্তব্য