ইভটিজিংয়ের ঘটনায় মারধরের জের ধরে বাউফলে ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

 

মো:ফিরোজ বাউফল(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যাবার পথে পটুয়াখালীর বাউফলে মামুন গাজী(৩৫) নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে কনকদিয়া ইউনিয়নের বীরপাশা সার্বজনীন পুজা মন্দিরের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত মামুন গাজী কনকদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের(একাংশের) যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ছিলেন ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরগুনার তালতলীর জনসভায় যোগ দেওয়ার জন্য উপজেলার জয়ঘোড়া গ্রামের শাহজাহান গাজীর ছেলে মামুনসহ আরও কয়েকজন তিনটি মোটরসাইকেলে করে রওয়ানা হন। ১০ টার দিকে বীরপাশা বাজারের সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সামনে পৌঁছালে স্থানীয় মো. মিরাজ হোসেনের (২২) নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও অস্ত্র নিয়ে মামুনকে বহন করা মোটরসাইকেলের পথরোধ করে। পরে মামুনকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন মামুনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত্যু ঘোষনা করেন।
নিহত মামুন গাজীর চাচা খলিলুর রহমান জানান, একই এলাকার সেলিম মুন্সীর ছেলে মিরাজ ও তার কয়েক সাঙ্গপাঙ্গ মামুনের অষ্টম শ্রেণী পড়–য়া ভাগ্নী রিয়ামনিকে উত্যাক্ত করতো। গত বুধবার মামুন বিষয়টি মিরাজের বাবা সেলিম মুন্সীকে অবহিত করেন। তখন এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়। একপর্যায়ে মামুন গাজী সেলিম মুন্সীকে মারধর করে। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। এ ঘটনায় মামুন গাজীকে আসামী করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সেলিম মুন্সী। আর ওই মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মামুনকে কুপিয়ে আহত করে মিরাজ ও তাঁর লোকজন। এর কিছুক্ষন পরেই মামুনের মৃত্যু হয়।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,“ পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকান্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো প্রস্তুতি চলেছে।’

মন্তব্য

মন্তব্য