সরিষাবাড়ীতে পাগলা কুকুরে কামরে আহত-২০ ।

 

মোঃ জামিল হোসেন ,সরিষাবাড়ী(জামালপুর ) প্রতিনিধি // জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে বিভিন্ন এলাকায় পাগলা কুকুরের কামুড়ে শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আহত হয়েছে ২০ জন। এছাড়া পাগলা কুকুরের কামড়ের শিকার হয়েছে অনেক গৃহপালিত পশু।আহতরা হাসপাতালে ভ্যাকসিন কিনতে না পেরে এখন কবিরাজি দ্বারস্থ হয়েছেন। আতংকে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে পাঠ গ্রহন ও জনসাধারন বাড়ী থেকে কুকুরের কামড় থেকে রক্ষার জন্য লাঠি,শোঠা নিয়ে বের হচ্ছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের মোনার পাড়া, ডোয়াইল ইউনিয়নের হাসড়া মাজালিয়া, ডিগ্রীবন্দ গ্রামে গত মঙ্গলবার পাগলা কুকুরে কামড়ে দিয়েছে ২০ জন ব্যক্তিকে। কুকুরের কামড়ে আহত ব্যক্তিরা অধিকাংশ হতদরিদ্র।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভ্যাকসিন না থাকায় দিন এনে দিন খাওয়া এসব হতদরিদ্র ব্যাক্তিরা ভ্যাকসিন কিনতে না পেরে কবিরাজি চিকিৎসার আশ্রয় নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
কুকুরের কামড়ে আহতরা গতকাল মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তারা হলেন,মোনার পাড়া গ্রামের মসলিম,হাসড়া মাজালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম(৫৪) ডিগ্রীবন্দ গ্রামের দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আলমগীর(১৭) ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী বিপ্লব(১৪)৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী জেসমীন(১১) জাহানারা(৪০),কাউছার(৫),রজনী(১৩),খালেক(৫৪) ,শামীম(২৬)ও জাহানারা(৪৫) আহত হয়।

মোনারপাড়া গ্রামে কুকুরের কামুড়ে আহত মসলিম বলেন,আমি গরীব মানুষ।ভ্যাকসিন কিনতে না পেরে কবিরাজি চিকিৎসা নিচ্ছি।আরেকজন বলেন, তিন দিন আগে আমাকে কুকুরে কামড় দিয়েছে। টাকার অভাবে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কিনতে পারিনি।
সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় প্রত্যয়নপত্র দিয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।তিনি আরও জানান এক মাসের মধ্যে পাগলা কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন না দিলে সে পাগল হয়ে মানুষকে কামড়াতে শুরু করবে। আর কিছুদিন পর সে মারা যাবে। এর প্রতিকার করতে হলে এলাকায় কুকুর নিধন করতে হবে।

মন্তব্য

মন্তব্য