চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়( চবি) ৪ ধরনের বিভিন্ন ঘটনায় ১১ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

আশিফুজ্জামান সারাফাতঃ আজ বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে তা  বলেন।
(১০-০৯-১৮) তারিখে মিনহাজ তুহিনকে মারধরের ঘটনায় ইংরেজী বিভাগের (২০১৩-১৪) সেশনের মাহমুদুল হাসান রুপককে ১ বছর, ইতিহাস বিভাগের (২০১৬-১৭) সেশনের ছাব্বির হোসেন ও রাজিবুল আলম এবং মার্কেটিং বিভাগের (২০১৭-১৮) সেশনের তৈমুর হোসেনকে ২ মাসের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
(০৯- ০৯-১৮) তারিখে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সালাউদ্দীন চৌধুরী এবং কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সান্তানু নাথকে মারধরের ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের (২০১৩-১৪) সেশনের এমাদ উদ্দীন, পদার্থবিদ্যা বিভাগের (২০১৭-১৮) সেশনের লিপটন দাশ, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের (২০১৬-১৭) সেশনের সালাহউদ্দীন সাজ্জাদ, একই সেশনের লোক প্রশাসন বিভাগের  ইব্রাহিম খলিলকে ২ মাসের জন্য বহিষ্কার করেছে।
(৩০-৭-১৮) তারিখে মেরিন সায়েন্স বিভাগ ও আমানত হলের আবাসিক ছাত্র জাহিন খন্দকারের রুম থেকে ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় একই বিভাগের (২০১৫- ১৬) সেশনের রিফাত হাসান এবং একই সেশনের উদ্ভীদ বিজ্ঞান বিভাগের কাউসার ইবনে হাসানকে ৬ মাসের বহিষ্কার করেছে।
(২৯-৩-১৮) তারিখে সোহরাওয়ার্দী হলে ইতিহাস বিভাগের গিয়াসউদ্দীন ইমরানকে মারধরের ঘটনায় আধুনিক ভাষা ইনিস্টিটিউটের সামদানি রহমান জিকুকে ১বছর বহিষ্কার করেছে। এর আগে সে  একজন শিক্ষার্থী ও তার অবিভবকে মারধর করে।
বহিষ্কারের বিষয় জানতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন,শাস্তি দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো তারা  সুংশোধন হওয়া।  আমার সুপারিশের প্রেক্ষিতে উপাচার্যের এই সিদ্ধান্ত যদি এরা আবার কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়ায় তবে আজীবন বহিষ্কার হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, এই সময় শিক্ষার্থীরা হলে এবং ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে পারবে না। যদি তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরাঘুরি করে  তবে তাঁদের  বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে তা বলেন।
Attachments area

মন্তব্য

মন্তব্য