সাতকানিয়া থানার অনর্গত সোনাকানিয়া ইউনিয়নের জমিদার পাড়ার তরুন উর্দ্দ্যাগকতা কায়ছারের ফলজ বাগান।


মোহাম্মদ ইসলাম, ক্রাইম রির্পোটার, চট্টগ্রামঃ
চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার, সোনাকানিয়া ইউনিয়নের জমিদার পাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইসহাক এর পুত্র মোঃ কাইসার আম বাগান থেকে বাগানের পার্শ্ববর্তী বসবাসকারী মৃত মোঃ লাল মিয়ার পুত্র মোঃ আব্দুল গফুর মিয়া এবং স্ত্রী মোসাঃ সাহারা খাতুন কর্তৃক আম চাড়া তুলে / উপড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে। বিবরণে প্রকাশ চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার সোনাকানিয়া ইউনিয়নে জমিদার পাড়া গ্রামের মোঃ ইসহাক এর পুত্র মোঃ কাইসার তার পিতার মিস মামলা নং- ২৩৭২/২০১২ ইংরেজী সালে সাতকানিয়া আদালত কর্তৃক রায়প্রাপ্ত হইয়া খতিয়ান নং আরএস ও পিএস নং ২১২৬, বিএস নং- ১১৬৪, ১১৮৪ নং দাগের জমি মোট ১৭ কানি (পাহাড়ি) জমিতে মোঃ কাইসারের বাবা বিগত ২৫ বছর যাবত বিভিন্ন গাছ যেমন, কাঁঠাল, ঘামারি অন্যান্য গাছ লাগিয়ে তিনবার গাছ বিক্রয় করিয়া জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছিল। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফলজ গাছের বাগান দেখে গত ২০১৭ইং সালে শেষের দিকে উল্লেখিত বাগানের বাজে /আগাছা গাছ কেটে স্থানীয় মাপের ১৭ কানি জমিতে উন্নত জাতের আম চারা, পেয়ারা, আমড়া, লিচু বিভিন্ন ধরনের জাতের চারা রোপণ করিয়াছিল। কিন্তু আম বাগানের পার্শ্ববর্তী বসবাস কারী মৃত মোঃ লাল মিয়ার পুত্র আব্দুল গফুর ও তার স্ত্রী সাহারা খাতুন গত ০১/০৭/২০১৮ইং তারিখ সকাল অনুমান ৯:০০ ঘটিকার সময় প্রায় তিন শতক জমির আমের চারা সহ বিভিন্ন জাতের চারা তুলে ফেলে / উপড়ে ফেলিয়েছেন এব্যাপারে উক্ত বাগানের মালিক মোঃ কাইসার বাদী হইয়া প্রতিপক্ষ মোঃ আব্দুল গফুর ও তার স্ত্রীকে বিবাদী করে গত ০৭/০৭/২০১৮ইং তারিখ অফিসার ইনচার্জ, সাতকানিয়া থানা, চট্টগ্রাম বরাবরে একখানা অভিযোগ দাখিল করিয়াছেন। অভিযোগ খানা তদন্তাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য জনাব মোঃ আয়ুব জমিদার এর কাছে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি জানান জমির মূল মালিক মোঃ ইসহাক আদালতের রায় আছে প্রায় ২০-২৫ বছর যাবত উক্ত ইসহাক মিয়া ভোগ দখল করিয়া আসছেন এবং তার পুত্র মোঃ কায়সার উক্ত জমিতে আম বাগান করিয়াছেন। তিনি আরো জানান উক্ত বাগানের পার্শ্ববর্তী বসবাসকারী মোঃ আব্দুল গফুর ও তার স্ত্রী সাহারা খাতুন কায়সারের বাগানের তিন শতক জমি থেকে আম ও অন্যান্য জাতের চারা তুলে / উপড়ে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন বাগানের মালিক কাইসার,এবং প্রতিবেশি ১/সুলতান আহাং,,পিতা-কালামিয়া, ২/আব্দুর রহিম,,৩/আব্দুল খালেক,,৪/আলম ওনাদের কাছে জানতে চাইলে আপনাদের মতামত কি? তখন তাহারা সাংবাদিকদের বলেন উক্ত বাগান আমাদের গ্রামের গর্ব, আমরা এই থেকে শিক্ষা গ্রহন করবো যে এমন বাগান যাতে সবার একটা একটা থাকে। পার্শ্ববর্তি জায়গার মালিক গফুর ও তার স্ত্রীকে আমরা বলতে চাই এমন বাগান যাতে কোন কু- পরামর্শে ক্ষতিসাধন না করে।
এ বিষয়ে কাওসার ও তার বাবা ইসহাকের নিকট জানতে চাইলে তারা জানান আমরা টিভিতে দেখি দেশের বিভিন্ন এলাকায় এমনকি রাজশাহী / চাপাই নবাবগঞ্জ আম বাগান প্রতি বছর তারা লক্ষ লক্ষ টাকা আম বিক্রি লাভবান হচ্ছে। তাই সেই আশা নিয়া আমাদের পাহাড়ি ১৭ কানি জমিতে উন্নত মানের বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা পোপন করিয়াছি। আমরা চাই আমাদের বাগানে সরকারের দৃষ্টি পডুক এবং সরকার আমার বাগানের সুনজর দিলে আমার বাগান সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করিতে পারিবো বলিয়া আশা রাখি।

মন্তব্য

মন্তব্য