অাহত ছাত্রকে নদীতে ফেলে হত্যা করল হানিফ গাড়ীর কর্মচারীরা

সাইফুল ইসলাম মামুন, চট্রগ্রাম প্রতিনিধি  :

ঢাকা -চট্রগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট নারায়ণগঞ্জ মদনপুর এলাকায় প্রসাব করার জন্য বাস থেকে নেমেছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাএ সাইদুর রহমান পায়েল।  এর মধ্যে যানজট কিছুটা ছাড়লে বাস এগোতে থাকে। পায়েল দৌড়ে এসে বাসে উঠতে গিয়ে নাকে মুখে অাঘাত পায়, রক্ত বের হতে থাকে, অাহত যাএীকে চিকিৎসা দেওয়ার বদলে বাসটির চালক, সুপার ভাইজার ও চালকের  সহকারী মিলে একটি সেতু থেকে নদীতে ফেলে দেন।  দুর্ঘটনার দায় এড়াতে বাসকর্মীরা এমন কাজ করেন বলে বাসটির  সুপারভাইজার জনি   বুধবার (২৫/০৭/২০১৮ইং) মুন্সিগঞ্জ  অাদালতে  স্বীকাররোক্তি দিয়েছন।

গতশনিবার রাতে হানিফ এন্টারপ্রাইজের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণত  বাসে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকায় অাসার পথে নিখোঁজ হয়েছিল পায়েল। সোমবার গজারিয়ার ভবের চরে নদীতে তার লাশ পাওয়া য়ায়। পরে পুলিশ বাসচালক জালাল, সুপার ভাইজার জনি ওচালকের সহকারী ফয়সাল কে অাটক করে। গজারিয়া থানার ওসি হারুন  উর রশীদ বলেন , পুলিশের কাছে জনি ঘটনার বর্ণনা দেন । পরে মুন্সিগঞ্জ  অাদালতে    তিনি স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দী দেন । অন্য দুজন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন ।

অাদালতের পুলিশ পরিদর্শক হেদায়তুন ইসলাম বলেন , মুন্সিগঞ্জ  অামলি অাদালতে জবান বন্দিতে জনি বলে পায়েল বাসে উঠতে গিয়ে দরজার সঙ্গে জোরে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়, ধারণা করেন পায়েল মারা গেছেন, পরে চালকের সহকারী ও সুপারভাইজার পায়েল কে ভাটের চর সেতুর নিচে ফুলদি নদীতে ফেলে ঢাকায়  চলে যান। পায়েলের বাড়ী চট্রগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ থানায়, হালিশহরে । জানা যায়, ভাড়া বাসাতে থাকতেন তারা। শনিবার রাতে অারও দুই বন্ধু সহ ঢাকার উদ্দেশে বাসে উঠেছিলেন  বাস থেকে নামার সময় তার মুঠো ফোন টি  অাসনে ছিল।তখন তার বন্ধুরা ঘুমিয়ে ছিলেন, পরে বন্ধুরা বাসকর্মীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন পায়েল রাস্তায় নেমেছে , পরের গাড়িতে অাসবে।

মন্তব্য

মন্তব্য