জেতা ম্যাচ হেরে গেল সাকিবরা

স্পোর্টস প্রতিবেদক:  সবকিছু ঠিক ছিল। কোথায় যেন ছন্দ হারিয়ে ফেলল টাইগাররা। ৬ বলে ৮ রানের সমীকরণ নিয়ে মাঠে ছিলেন ডিপেন্ড্যাবল মুশফিক ও মোসাদ্দেক হোসেন। কিন্তু ফিনিশিং টানতে পারলেন না তারা। ফলে তীরে এসে তরী ডুবলো ।১ম ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর ২য় ম্যাচে মাত্র ৩ রানে পরাজয় হল টাইগাররা । রোমাঞ্চকর এ জয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

২৭২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা তেন ভাল করতে পারি নি । ওপেনিং জুটিতে আসে ৩২ রান। ২৩ রান করে ফেরেন এনামুল হক। আবারো সাকিবকে নিয়ে দারুণ জুটি গড়ে তোলেন তামিম। ফলে এগোতে থাকে সফরকারীরা। তবে হঠাৎই ছন্দপতন। ২৫ ওভারে বিশুর স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফেরেন তামিম (৫৪)। ফেরার আগে দ্বিতীয় উইকেটে সাকিবের সঙ্গে ৯৭ রানের জুটি গড়েন বাংলাদেশের নির্ভরশীল ওপেনার।

সঙ্গী হারিয়ে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি সাকিব (৫৬)। কিছুক্ষণ পরই নার্সকে অযাচিত শট খেলতে গিয়ে ফেরেন তিনি। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ফিরলে দলের হাল ধরেন মুশফিক। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দেন মাহমুউদল্লাহ। ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যেতে থাকেন তারা। কিন্তু এক ভুল বোঝাবুঝিতেই তাদের প্রচেষ্টা হার মানে। দলীয় ২৩২ রানে রানআউটে কাটা পড়েন মাহমুদউল্লাহ (৩৯)।

ভাইরা ভাই ফিরে গেলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন মুশফিক। তবে শেষদিকে তাকে কেউ যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। আবারো ফিনিশিং টাচ দিতে ব্যর্থ সাব্বির। ৪৯ ওভারের শেষ বলে হেটমায়ারকে ক্যাচ প্র্যাকটিস করিয়ে ফিরে যান তিনি। ফিনিশিং টানতে পারেননি মিস্টার ডিপেন্ডেবলও। ৫০ ওভারের প্রথম বলে সময়ের দাবি মেটাতে গিয়ে হোল্ডারে শিকার হন তিনি। এতে বৃথা যায় তার ৬৭ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ৬৮ রানের লড়াকু ইনিংস। তবু সুযোগ ছিল। শেষ ৫ বলে লাগত ৮ রান। তবে এ সহজ সমীকরণ মেলাতে পারেননি মাশরাফি-মোসাদ্দেক। শেষ পর্যন্ত ২৬৮/৬ রানে থামে টাইগারদের দৌড়।

মন্তব্য

মন্তব্য