বেগম জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ল

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৬ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়েছেন হাইকোর্ট। জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি চেয়ে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ বুধবার (১৮/০৭/২০১৮ইং) এ আদেশ দেন।

এই মামলার সাজা থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিলের ওপর হাইকোর্টের এই বেঞ্চে আজ ৫ম দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এই দিন শুনানি নিয়ে আদালত আগামী রোববার দুপুর ২ টা পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেছেন।

আদালতে খালেদার পে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও আবদুর রেজাক খান। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন— অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের নিকট বলেন, ‘পঞ্চম দিনের শুনানিতে আপিলকারীর আইনজীবীরা পেপারবুক থেকে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য, জেরা ও জবানবন্দি পড়ে শোনান ও বক্তব্য উপস্থাপন করেন। শুনানির পর খালেদার আইনজীবীদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী রোববার দুপুর ২টা পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেছেন আদালত। ওইদিন ২টায় আপিলের ওপর পুনরায় শুনানি হবে।’

গত ৮ (আট) ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামিকে ১০ (দশ) বছর করে দণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর ১৯ ফেব্রুয়ারি রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এর পর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুারি আপিল দায়ের করেন। এছাড়া সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদও আপিল করেন। বাকি তিন আসামি পলাতক থাকায় হাইকোর্টে আপিল করেননি। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সাজা অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে তা বৃদ্ধির জন্য দুদকও হাইকোর্টে আবেদন জানায়। পৃথক সময়ে শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এসব আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে নথি তলবের আদেশ দেন।

মন্তব্য

মন্তব্য