কুমিল্লা তিতাসের সাজ্জাদ স্ত্রীর পরকীয়া ঢাকায় হত্যা লাশ আন্জুমানে দাফন

মোঃ জহিরুল ইসলাম (পাশা) //
কুমিল্লা তিতাস উপজেলা উত্তর বলরামপুর মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (৪২) পিতা মৃত আব্দুল কাদের। স্ত্রী র প্রেমিকা ঢাকা হত্যা করে লাঁশ আন্জুমান মফিদুল কর্তৃক দ্বারা দাফন। এবিষয়ে নিহতের বড় ভাই মোঃ কায়কোবাদ বলেন আমার ছোট ভাই মোঃ সাজ্জাদ হোমনা উপজেলা মহিষ মারী গ্রামের দৌলত মিয়ার মেয়ে মোসামৎ মাকসুদা( ৩২) কে ১৮ বছর পূর্বে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিবাহ করে তাদের তিনটি কন্যা,সন্তান রয়েছে। নিহত সাজ্জাদ বিবাহে পর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা শাহজাহন পুর মোমেন বাগ মোঃ বিলালের বাড়ীতে ভাড়া থাকত।নিহত সাজ্জাদ নবাবপুর বংশাল এলাকায়,লেবারের কাজ করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে জীবীকা নির্বাহ করত। নিহতের স্ত্রী মোমেন বাগ এলাকার অস্থায়ী বসবাসকারী মোঃ মুকবল মিয়া, পিতা বাবুল মিয়ার সঙ্গে পরকীয়া জরিয়ে পরে।স্বামী সাজ্জাদ বিষয়টি টের পেয়ে স্ত্রী কে বারন করায় স্ত্রীর পরকীয়া নাগর মুকবল সাজ্জাদ এর সাথে ঝগড়া করে এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়। গত ৮ ই অক্টোবর রাতে সাজ্জাদ এর স্রী মাকসুদা প্রেমিক মুকবল সহযোগী বাবুল,মোঃ মাঈন উদ্দিন মোঃ সাজ্জাদ কে ঢাকা শাহাজানপুর এ্যাপাটমেন্ট- ২ দোলন চাপা বিল্ডিং এর পাশে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে ফেলে যায়। সকালে দোলন চাপা বিল্ডিং এা দারোয়ান বাড়ীর সাইডে দ্বিতীয় তলায় লাঁশ দেখতে পেয়ে শাহজান পুর থানায় ফোন করিলে পুলিশ এসে লাঁশ উদ্ধার করতে না পারলে পরবর্তিতে ফায়ার সার্ভিসের টিম এসে লাঁশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শাহাজানপুর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয় মামলা নং ০৯/২০ এবং নিহতের কোন স্বজন না পাওয়া মরাদেহ আন্জুমান মফিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে। ১০ ই অক্টোবর মরাদেহটি আন্জুমান মফিদুল ইসলামের দায়িত্বে দাফন করা হয়।দাফনের দুইদিন পর আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আমাকে ফোন করে আমার ভাইকে নাকি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী একটি নয় দুইটি হত্যা করেছে একটি হল আমার ভাই আরেকটি হল মানবতা, হত্যার পর পর যখন আমার ভাইকে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করে তখন আমাকে জানাইলে হয়তো আমার ভাইয়ে লাশটি পরিচয়হীন হয়ে দাফন হইতো না, আমার ভাইয়ের হত্যার বিচারের জন্য আমি ঢাকা কোটে হত্যা মামলা দায়ের করেছি।আমি আমার ভাইয়ে হত্যার বিচার চাই।

মন্তব্য

মন্তব্য