তিতাসে অপহরনের ৭ ঘন্টা পর রহস্য জনক ভাবে উদ্ধার,৬ দিনেও গ্রেফতার হয়নি অপহরন কারীরা

মোঃ জহিরুল ইসলাম (পাশা):
কুমিল্লা তিতাস উপজেলা কলাকান্দি ইউনিয়ন আফজল কান্দি মোঃ জানে আলম( হিটলু) গত ৬ ই অক্টোবর বিকাল ৪ ঘটিকা সময় খাঁনে বাড়ী থেকে অপহরন হয়। ৭ অক্টোবর রাত ৩ টা সময় ভিকটিম এর স্ত্রী রিমা আক্তার কাজল তিতাস থানায় হাজির হয়ে করেন অভিযোগ বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ তারিখ রাত ১৫ ঘটিকার সময় তিতাস থানায় একটি হত্যার উদ্দেশ্য অপহরন মামলা হয়, মামলা নং ০১ ধারা ৩৬৪ পেনাল কোড ১৮৬০ বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরনের ৭ ঘন্টার পর উদ্ধার করেছে তিতাস থানা পুলিশ। অপহরন কারীরা গ্রেফতার হয়নি।ঘটনাটি রহস্য মনে হওয়ায় তিতাস থানা তদন্ত ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম এর নিকট বিষয় জানার জন্য ফোন করিলে তিনি বলেন ভিকটিম এর স্ত্রী মোসামৎ রিমা বেগম কাজল অভিযোগ করার পর আমরা ডিজিটাল সিস্টেম এপ্লাই করে অভিযান চালানোর পর অপহরন কারীরা উপায়ন্তর না পেয়ে ভিকটিমকে গৌরীপুর ব্রীজের নিচে ফেলে যায় সেখান থেকে উদ্ধার করি। তদন্ত ওসির বক্তব্য আমার কাছে অসমাপ্ত মনে হল তাই এ মামলার তদন্ত অফিসার তিতাস থানার এস আই মোঃ বিল্লাল হেসেন এর নিকট জান্তে চাইলে তিনি বলেন আমরা খবর পেয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করি কি ভাবে উদ্ধার করেছেন কোথা থেকে উদ্ধার করেছেন সে বিষয়ে জান্তে চাইলে তিনি বলেন গৌরীপুর ব্রীজের পরিত্যাক্ত অবস্থায় অপহরন কারীরা ভিকটিম কে ফেলে যায় সেখান উদ্ধার করে থানায়,নিয়ে আসি।এখানে আমার সন্দেহ হয় তদন্ত ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম বলল ব্রীজের নীচে এস আই বিল্লাল হোসেন বলল ব্রীজে পরিত্যাক্ত অবস্থায়। অপেক্ষায় অপেক্ষায় রহিলাম মনে হয় অপহরনকারী গ্রেফতার হলে সকল রহস্য উদঘাঠন হবে।ঘঠনার ৬ দিন পেরিয়ে গেলে ও ভিকটিমের জবানবন্দি মতে অভিযুক্ত আসামী মোঃ জালাল গ্রেফতার না হওয়া ১১ অক্টোবর রবিবার ভিকটিম মোঃ জানে আলম এর নিকট জান্তে চাই আপনি অপহরন হওয়ার পর পুলিশ কোথা থেকে আপনাকে উদ্ধার করেছে, এ বিষয়ে ভিকটিম মোঃ জানে আলম হিটলু সাংবাদিকদের বলেন আমাকে কলাকান্দির জালাল পিতা জালুমিয়া সহ অজ্ঞাত আরো চার থেকে পাঁচজন আমাকে খানেবাড়ী গোমতি নদীতে নিয়ে টলারে করে নিয়ে যায় আমার পরিবারের নিকট ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপন হিসেবে দাবী করে। তিনটি বিকাশ নাম্বারে আমার পরিবার ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে দিলে অপহরন কারীরা আমাকে গৌরীপুর পাওয়ার প্লান এর পাশে ফেলে যায়, সেখান থেকে আমি মাছিমপুর বাজারে আসলে পুলিশ আমাকে ফোন করে তার পর আমি থানায় যাই। বিকাশে টাকা পাঠানোর স্ট্যাটমেন চাইলে ভিকটিম কথার উত্তর পাশ কাটিয়ে চলে যায়।এ দিকে অভিযুক্ত জালালের বাড়ীতে গেলে জানা যায় জালাল ঘটনার দিন থেকে পলাতক। জালালের স্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন আমার স্বামী রাজ মিস্রীর কাজ করে, আমার স্বামীর এ ধরনের কাজ করতে পারে না, আমার স্বামী পূর্বে এধরনের বা কোন অপরাধে জরিত নেই। হঠাৎ বাড়ীতি পুলিশ আসায় ভয়ে আমার স্বামী কোথায় যেন পালিয়ে বেড়াচ্ছে।সংসারে কাজ করার মত আর কেউ নেই। শশুড় এবং সন্তানদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি।

মন্তব্য

মন্তব্য