কালীগঞ্জে নাগরী ইউনিনে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের তিন বিদ্রোহী প্রার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার।

মো:ইব্রাহীম খন্দকার,সিনিয়র রিপোর্টার //

আসন্ন ২০ অক্টোবর কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের তিন বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় তাদেরকে আজীবনের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ।

রোববার সকালে বিদ্রোহী তিন প্রার্থীদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ও সকল পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মতিন সরকার ও সাধারন সম্পাদক এইচ.এম আবু বকর চৌধুরীর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নাগরী উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজ মোড়ল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান ও নাগরী ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক কাকন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদেরকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কাজে অংশগ্রহন করার জন্য বারবার অনুরোধ জানান উপজেলা আওয়ামী লীগ। তারা দলীয় সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের অনুরোধকে অমান্য করে মনোনয়নপত্র বলবৎ রাখেন। তারা বিএনপি, জামাত ও শহীদ ময়েজউদ্দিনের খুনি চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাগরী উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মনোনয়নপত্র দাখিলকৃত দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য রোববার সকাল এগারোটায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক জরুরি সভার আয়োজন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ। সভায় জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সর্বসম্মতক্রমে ওই তিন বিদ্রোহী প্রার্থীকে আজীবনের জন্য তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এইচ.এম আবু বকর চৌধুরী বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নাগরী উপনির্বাচনে তিন আওয়ামী লীগ নেতা অংশগ্রহণ করায় তাদের আজীবনের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি বলেন, যারা দল থেকে সুবিধা নিবেন। আবার দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করবে, তাদের আওয়ামী লীগে থাকার কোনো অধিকার নেই। দলীয় প্রার্থী দেয়ার পরেও যারা দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থী হয়েছে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। যারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে না, তাদেরও চিহিৃত করে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য

মন্তব্য