কুমিল্লা তিতাসে অর্ধ গলিত মরাদেহ উদ্ধার


মোঃ জহিরুল ইসলাম পাশা //

কুমিল্লা তিতাসে নিখোঁজের ৩ দিন পর বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরাদেহ উদ্ধার করেছে তিতাস থানার পুলিশ পুলিশ। ১৪ ই সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে উপজেলা ডাবুরভাঙ্গা আবুল হোসেন এর বাগান বাড়ির ঝোঁপ থেকে মরাদেহটি উদ্ধার করা হয়। এলকাবাসী সুত্রে জানাযায় গত ১১ ই সেপ্টেম্বর মাগরিব নামাজের পর তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় অনেক খোজা খুজি করে না পেয়ে তার বড় ছেলে আব্দুল কাদির খোকন তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন এবং এলাকায় মাইকিং করেন। আজ সোমবার সকালে ছাপর আলীর বড় ছেলে খোকন ও তার স্ত্রী মাজেদা এবং একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের অনুরোধে গ্রামের লোকজন নিখোজ ছাপর আলীকে খোজতে বের হয় এবং খোজতে গিয়ে একই গ্রামের আবুল হোসেনের বাগান বাড়িতে গিয়ে বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং মরাদেহের পরনের কাপর দেখে নিহতের স্বজনরা নিশ্চিত করে মরা দেহটি ছাপর আলীর।পরে তিতাস থানার পুলিশ মরাদেহটি নিয়ে এসে ময়না তদন্ত্রের জন্য কুমিল্লা কলেজ মেডিকেল প্রেরণ করেছে। এবিষয়ে জানতে নিহতের বড় ছেলে খোকন কোথায় জিজ্ঞেস করলে উপস্থিত লোকজন বলে পিতার লাশ দেখে খোকন অসুস্থ্য হয়ে পরছে এখন ঢাকা নিয়ে গেছে। খোকনের স্ত্রী মাজেদার নিকট জানতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে নারাজ।
এদিকে গ্রামের একাধিক ব্যাক্তি বলেন ছাপর আলীকে হত্যা করা হয়েছে। কি কারণে হত্যা করতে পারে এমন প্রশ্নে অনেকেই নাম প্রকাশ না করে বলেন নিহতের ছোট ছেলে সুমন একজন সহজ সরল তার সম্পাদ আর্থসাদ করার জন্যই এমন ঘটনা ঘটতে পারে। ছাপর আলী জীবীত থাকা অবস্থায় বড় ছেলে মোঃ খোকন বরন পোষন করেনি, এখন মৃত্যুর কথা শুনেই অসুস্থ বিষয়টি গ্রামবাসীর মনে প্রশ্ন জাগে, তবে বড় ছেলে খোকন ও তার স্ত্রী মাজেদাকে জিজ্ঞেসাবাদ করলেই রহস্য উধঘাটন হবে বলে গ্রাম বাসীর ধারণা করছে। ছাপর আলী তিতাস থানার এস আই মো. ইউসুফ বলেন খবর পেয়ে ঘটনা স্থল থেকে মরাদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা পাঠিয়েছি রিপোর্ট না আসা,পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না কি ভাবে মৃত্যু হয়েছে।

মন্তব্য

মন্তব্য