যমুনার ভাঙ্গন থেকে সলিমাবাদ ইউনিয়ন এর মানুষ বাচঁতে চায়

এস এম জহিরুল ইসলাম ইমন //
সলিমাবাদ ইউনিয়ন এর মানুষ বাচঁতে চায় যমুনার ভাঙ্গন থেকে, যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়ন এ অসংখ্য বসতবাড়ি ও কৃষি জমি। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে পাইকশা মাইঝাইল খাস ঘুনিপাড়া, সলিমাবাদ, তেবাড়িয়া গ্রামসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পাইকশা মাইঝাইল বাজারের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি, কিছুদিন আগে যমুনার পেটে যায়, নব নির্মিত দোতলা পাইকশা মাইঝাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকাবাসীরা জানায়, অসংখ্য হাই স্কুল, প্রাইমারী স্কুল, কলেজ, মসজিদ মাদ্রাসা, কবরস্থান,হাট-বাজার,ব্রীজ,রাস্তা-ঘাট,এই ইউনিয়নে রয়েছে এদিকে করোনা পরিস্তিতিতে অসংখ্য মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তার ওপর মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু যমুনা নদী খেয়ে ফেলেছে। তারা বলে আমরা রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারি না, কখন যেন যমুনার নদীতে আমাদেরও কে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এই ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান এডভোকেট দাউদুল ইসলাম দাউদ বলেন, ভাঙ্গন প্রতিরোকধে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসক মহোদয় কে ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে খুব দ্রুত ভাঙ্গন রোধে তারা পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সলিমাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী মোঃ কায়কোবাদ খান (কে বি) বলেন এই ইউনিয়নে কমছে না দুর্দাশা ঘরবাড়ি হারিয়ে পরিবার গুলো বৈরি আবাহওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে দূর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। খুব দ্রুত ভাঙ্গন রোধে তারা পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন খাস ঘুনিপাড়ার বাসিন্দা নাগরপুর সরকারী কলেজের সাবেক জি এস মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ প্রায় তিন শতাধিক ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখনো ভাঙ্গার তালেই রয়েছে। জাগোমানবতা সংগঠন এর কর্মীরা গরীবদেরও কে সাহায্য করছে। বেড়ীবাধের জন্য বার বার মানব বন্ধন করতে যাচ্ছে এবং ০৩-০৮-২০২০ ইং তারিখে কাচঁপাই বাজার থেকে সলিমাবাদ মোড় পর্যন্ত মানবন্ধন করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। যমুনার ভাঙ্গন থেকে, মাননীয় এমপি মহোদয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন নদীর তীর রক্ষার বাধের জন্য স্থায়ী বেড়িবাঁধ চাই। নাগরপুর উপজেলা সলিমাবাদ, ধুবডিয়া, দপ্তিয়র, গয়হাটা ইউনিয়ন মানুষের একটাই দাবি আমরা বেড়িবাধ চাই আমাদের বাচঁতে দিন আমাদের দুমুটো খাইতে দিন।
এছাড়াও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের আগাম বন্যায় যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ঘর বাড়ি নদীরগর্ভে বিলিন হয়ে গিয়েছে, আবার কেউ বা ঘর ঘুলে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে অন্যত্র।
দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে যমুনা নদী ভাঙ্গন থেকে সলিমাবাদ ইউনিয়ন রক্ষা করা কঠিন হবে।

এ দিকে ঘুনিপাড়ার বাসিন্দার মোঃ বাসেদ মিয়া কাচঁপাই বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বলেন, মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য, বন্যাদুর্গত এলাকায় যাদের বাড়িঘর এখনো শুকনো, বাড়িতে পানি উঠে নাই, কষ্ট হলেও তারা পারস্পরিক দায় নিয়ে প্রতিবেশী মহল্লাবাসীদের একটু ঠাইদিন।

মন্তব্য

মন্তব্য