গলাচিপার গাজীপুরে খেয়ায় মানুষ পারাপার করে  করোনাভাইরাকে আমন্ত্রণের অভিযোগ!   

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী // 
লক ডাউনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই চলছে গলাচিপার গোলখালী ইউনিয়নের বড়গাবুয়া টু গাজীপুর  বন্দর আন্তজেলা খেয়া পারাপার হচ্ছে।
জেলার সীমানা সিল করে দেওয়ার কথা বলা হলেও মোটা টাকার বিনিময়ে ঘাট থেকে যাত্রীদের বরগুনার জেলার আমতলী উপজেলার গাজীপুর বন্দরের পূর্ব সীমানা দিয়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলাধীণ বড়গাবুয়া আন্তজেলা খেয়ায় মানুষ পারাপার করা হচ্ছে।স্থানীয় প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যে জানা যায়,    গলাচিপা উপজেলা সহ গোলখালী, আমখোলা, বিভিন্ন   এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, গলাচিপার গোলখালী ইউনিয়নের বড়গাবুয়া টু গাজীপুর  খেয়া পারাপারে প্রশাসনের কোন গুরুত্ব নেই। এখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক বরগুনা, কুয়াকাটাকা, কলাপাড়া, তালতলী, আমতলী এবং চায়না প্রজেক্টের তাপবিদ্যুৎ, পায়রা বন্দর থেকে গলাচিপা উপজেলায় আসতেছে এবং নিরাপদ রুট হিসেবে এই খেয়া বেচে নিয়েছে সকলে।
গলাচিপার গোলখালী ইউনিয়নের বড়গাবুয়া টু গাজীপুর  খেয়া লকডাউনের মধ্যেই  ঝুঁকির পারাপার চলছে। খেয়া ঘাটে বাড়তি যাত্রী নিয়ে নৌকো চলছে বলে অভিযোগ। বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার গাজীপুর থেকে গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বড়গাবুয়া মধ্যে চলছে এই ঝুঁকির খেয়া পারাপার। প্রতিবাদ জানিয়েও কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ যেন করোনাভাইরাসকে আমন্ত্র।
তাঁরা বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বালাই থাকছে না খেয়া পারাপারে। প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করেই চলছে যাত্রী পরিবহণ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জেলার সীমানা সিল করে দেওয়া হয়েছে। অথচ এই ঘাটে প্রতিনিয়ত নৌকোয় ঠাসাঠাসি করে লোক চাপিয়ে নৌকোয় পারাপার করা হচ্ছে।
সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাতো দূরের কথা,  মুখে মাস্কও লাগাচ্ছে না অনেকেই।  লাইফ জ্যাকেটও নেই। নৌকাডুবি হয়ে গেলে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে যেতে পারে জনসাধারণর মতামোত।
গোলখালীর গাবুয়া গ্রামের আনোয়ার আকন, আসলাম মোল্লা, হজলেম প্যাদা, মোঃ মাসুম আকন, জসিম আকন জানান, স্থানীয় বাসিন্দা আমতলীর আমরাগাছিয়া টু গলাচিপার হরিদেবপুর এই মহাসড়কটি এই খেয়া চালানোর কারনে শত শত গাড়ি চলাচল করছে একমাত্র এই খেয়া চালু রাখার কারনে।
খেয়া বন্ধ করলে আর এই গাড়িগুলো চলাচল করতে পারবেনা এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক আসাযাওয়া করতে পারবেন না। এ ব্যপারে তাদের সাথে কোন লোক প্রতিবাদ করলেও ঘাটমালিক কালাম মেম্বার ও মস্তোফা মাতুব্বর কোনও কর্ণপাত করছেন না।
বর্তমান পরিস্থিতির সময় প্রশাসন খেয়া পারাপার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খেয়া পারাপার চলছে অবাধে যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।
এ ব্যাপারে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, খেয়ায় যাত্রী পরিবহণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ। সরকার যেই সময় লকডাউন খুলে দিবে তখন খেয়ায় মানুষ পারাপার করবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মন্তব্য

মন্তব্য