বন্দরবানের লামা উপজেলা ও থানচি উপজেলা তিনজন করোনা রোগী সনাক্ত

 

ডেভিড সাহা //

বান্দরবানের লামা উপজেলায় একজন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। করোনা আক্রান্ত রাশেদা বেগম (৪০) লামা সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেরাখোলা মুসলিম পাড়ার জামাল উদ্দিনের স্ত্রী।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ১১টায় রাশেদা বেগম করোনা আক্রান্তের বিষয়টি লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদুল হক নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, আক্রান্ত রোগীর কোন লক্ষণ নেই। সে সুস্থ আছে। আগামী ৭দিন পরে আমরা আবারো তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে পাঠাব। আশপাশের সবার নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
লামা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন জানান, গত ৫ দিন আগে রাশেদা বেগম ও তার স্বামীর করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাতে তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। নমুনা সংগ্রহের পর থেকে ওই পরিবারটিকে লকডাউন করা হয়। আগামীকাল বুধবার ওই বাড়ির সকল সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত চিকিৎসকরা।
জামাল উদ্দিন বলেন, তিনি চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় গাছ কাটার কাজ করতেন। গত ১৩ দিন আগে সে লামায় নিজ বাড়িতে আসে। গত ৫দিন আগে সে ও তার স্ত্রীর করোনার নমুনা নেয় লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তাররা।
এদিকে খবর পাওয়া মাত্র করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রাশেদা বেগম এর বাড়িতে ছুঁটে আসেন লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদুল হক, লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি সবাইকে নিজ নিজ বাড়িতে থাকার অনুরোধ করেছেন। এছাড়া মেরাখোলা মুসলিম পাড়াটি ও আশপাশের এলাকা কি লকডাউন ঘোষণা করেন।
পাশাপাশি বান্দরবানের থানচিতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য মো: আবু জাফর (৩৫) ও থানচি বড় মদকের বাসিন্দা শৈক্যচিং মারমা (৩৫) নামে দুইজনের করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। শৈক্যচিং হল একজন ঠিকাদার। কাজের সুবাদে সে চট্টগ্রাম, সাতকানিয়া ও কেরানীহাটে আসা-যাওয়া করত। স্থানীয়রা তার পার্টনার রেমাক্রী চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমাকে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখার দাবি করেছে।

মন্তব্য

মন্তব্য