পত্রিকার বিজ্ঞাপন বিল দ্রুত পরিশোধ করুন

অনলাইন ডেস্ক  //

বৃহস্পতিবার রাতে সময় টিভির টকশোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক ও গবেষক বলেন, ঝুঁকির মধ্যে থেকেও গণমাধ্যম সজাগ রয়েছে। দেশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচেছ। অথচ সব ক্ষেত্রে বরাদ্দ থাকলেও গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে কিছু নেই।তিনি বলেন, হাসপাতালের ব্যবস্থা নেই, কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা নাই। তবে গণমাধ্যমের ব্যাপারে সরকারের নজরদারি করতে হবে।অনুষ্ঠানে ডিবিসি নিউজের প্রধান সম্পাদক এম. মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমকে প্যারালাল বাস্তবতার মধ্যে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে একত্রিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শেষ মুহুর্ত পযর্ন্ত বেঁচে থেকে দেশের জন্য কীভাবে কাজ করা যায়, সে বিষয়ের প্রতি নজর দিতে হবে। তিনি বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি বেতন ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।সময় টিভির বার্তা প্রধান তুষার আবুদুল্লাহ বলেন, সাংবাদিকরা এই দুর্যোগের সময় কাজ করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। ফলে সাংবাদিকতার নীতিমালাকে অপমান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সঠিক তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।তিনি বলেন, অন্যের আশায় বসে না থেকে সার্মথ্যের মধ্যে নিজেদের সুরক্ষা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, অর্থের অভাবে পত্রিকা অফিস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ইলেট্রনিক্স মিডিয়া ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীরা কোনো অর্থ সহযোগিতা পাচ্ছে না।তিনি বলেন, প্রিন্ট মিডিয়ার পাওনাগুলো পরিশোধ করতে হবে। আর ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার জন্য আলাদা প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

সূত্র:আমাদের সময়.কম

মন্তব্য

মন্তব্য