বাকেরগঞ্জে সরকারি ত্রান বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করলেন দুধালের উজ্জ্বল

 জাহিদুল ইসলাম //

বাকেরগঞ্জ ৪নং দুধাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোর্সেদ উজ্জ্বলের ব্যতিক্রমী চিন্তাধারার কর্মপরিকল্পনায় একের পর এক সাফল্যের ধারা অবহ্যত, দেশের সংকটময় মুহূর্তে চারদিকে যখন লুটপাট চুরি বঞ্চনার অভিযোগ, সে মূহুর্তে সরকারি ত্রানসামগ্রী বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করলেন চেয়ারম্যান উজ্জ্বল। ইতি মধ্যে দেশে করোনা ভাইরাসের কারনে সরকার সাধারন ছুটি ঘোষনা করায় হাজার হাজার মানুষ বেকার ও কর্মহীন হয়ে পরে। তাই এসকল কর্মহীন ও গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের কথা চিন্তা করে তিনি দুধল ইউনিয়নের দলমত নির্বিশেষে সচেতন মহলের পরামর্শ নিয়া একটা ত্রান ফান্ড গঠন করেন। সে ফান্ডে দুধল ইউনিয়নের বিত্তবানদের কাছে কর্মহীন গরীব ও অসহায় মানুষের কথা বললে তারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন এবং তিনি ও সাধ্যমত অংশগ্রহণ করেন । তার সে প্রচেষ্টায় ১ সপ্তাহ আগের বাজার দরে ৯ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ১২১৫ টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য পৌঁছে দেন । খাদ্য সমগ্রীর মধ্যে ১০ কেজি চাল ৪ কেজি আলু, ২ কেজি পিয়াজ, ১ কেজি মসুরের ডাল, ১ লিটার তেল, ১ কেজি লবণ ও একটি সাবান ত্রান হিসাবে গত ১৩ ই এপ্রিল সোমবার বিতরণ করেন। দুধল ইউনিয়নের বিত্তবান ব্যক্তিদের সময় উপযোগী সহযোগিতা পেয়ে তিনি তৃপ্ত হয়ে জনগনের প্রতিনিধি হিসাবে তাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন । দেশের এ পরিস্থিতিতে সরকারি ভাবে মাত্র ৪ টন চাল উপজেলা প্রশাসন থেকে বরাদ্ধ পেয়েছেন যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। যেখানে হাজার হাজার লোক বেকার ও কর্মহীন হয়ে খুব কস্টে জীবন যাপন করছে। তাদের দুঃখ জনক পরিস্থিতে তিনি ব্যথিত মর্মাহত, এ সময় গরীবের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্দ নিয়ে যাতে কোন রকম বিতর্ক সৃষ্টি না হয় সেটা ভেবে পরিষদের সকল সদস্যদের চাহিদার অনুকুলে আজকের ১৫ ই এপ্রিল বুধবার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের সাথে নিয়ে এককালীন ৪ টন চাল ১০ কেজি করে ৪০০ লোকের মধ্যে বিতরণ করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য, কর্মকর্তা কর্মচারী, সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম, লেকচারার মহসিন হোসেন মোল্লা সহ স্হানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা। তিনি বন্টন প্রক্রিয়া শেষে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে, এলাকার কর্মহীন, গরীব ও অসহায় মানুষের জন্য তার এ প্রচেষ্টা অবহ্যত রাখবেন বলে জানান। তার সাথে একান্ত আলোচনা কালে তিনি বলেন আমার এ ইউনিয়নে ৯ টা ওয়ার্ড সদস্যদের ৫ হাজার পরিবারের চাহিদার বিপরীতে ৪৫০০ লোকের লিষ্ট চুড়ান্ত করা হয়েছে, এদের মধ্যে মাত্র ৫০০ জনকে দেওয়া হয়েছে বাকি ৪ হাজার লোকের চাহিদার যোগান দিতে না পারলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কষ্টকর হয়ে যাবে, এ কথা বিবেচনা করে শুধু সরকারি সহয়তার জন্য বসে না থেকে এলাকার বিত্তবান লোকদের সহায়তা ও নিজের প্রচেষ্টায় ত্রানসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততদিন পর্যন্ত চলমান থাকবে। এছাড়াও তিনি ত্রান সহায়তার পাশাপাশি যারা ঢাকা, নারায়নগঞ্জ বা আশেপাশের এলাকা থেকে আসছেন তাদের দিকে ও নজর রাখছেন, এ বিষয় তিনি গতকাল ইউনিয়ন পরিষদের জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঐ সমস্ত বাড়িতে দ্বিতীয়বারের মত লাল নিশান টানিয়ে দেন এবং প্রত্যেকের বাড়ি গিয়া সচেতন করে এসেছেন। তাছাড়া নিজেই অটো গাড়িতে মাইক নিয়ে বের হয়ে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে সচেতন করে, হুশিয়ার করেদেন সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ১৪ দিন ঘরে থাকবেন অন্যথায় জনসাধারন নিয়া কঠিনভাবে প্রতিরোধ করা হবে বলে সকলকে সচেতন করে দিয়েছেন।

মন্তব্য

মন্তব্য