বাকেরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি চাউল নিয়ে চলছে নানা অনিয়ম

 হাবিবুর রহমান,বাকেরগঞ্জ //

সম্প্রতি বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি চাল অসহায় দুস্থদের মাঝে ৩০ কেজি চাল বস্তা প্রতি ৩০০ টাকা ধরে বিক্রয়ের জন্য বাজারে দিলেও তাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যথানিয়মে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হয় না ডিলার কর্তিক রাতে বস্তা খুলে ৫ কেজি চাল রেখে দেয় এছাড়াও ২৪ কেজি ২৫ কেজি ২৬ কেজি ২৭ কেজি হয় কোন টিতে মাপে কম দেওয়ার পরে টেক অফিসার যথাসময়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও এবং তাদের সামনে বস্তাগুলো বিতরণ করার কথা থাকলেও তারা যাওয়ার আগেই ডিলাররা বস্তা খুলে লাল বালতি দিয়ে চাউল দেওয়া শুরু করে সরকার কর্তৃক খাদ্য কর্মকর্তার অফিস থেকে নির্ধারিত কার দ্বারা করা বালতি থাকলেও তা দিয়ে তারা দিচ্ছে না এমনও অভিযোগ রয়েছে ফরিদপুর নিয়ামতি ইউনিয়নে রঙ্গশ্রী দুর্গাপাশা ভরপাশা চরাদি চরামদ্দি দাড়িয়াল সহ ১৪ টি ইউনিয়নে অভিযোগ রয়েছে তারা চাউল মাছের ঘেরে ব্যবহার করে এমন তথ্য রয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের কঠিন হুঁশিয়ারি থাকলেও তারা এ জাতীয় কর্মকাণ্ড থেকে এখনো বিরত থাকি নি বরঞ্চ তারা মাপে কম দিয়ে ওই চাউল আত্মসাৎ করে গরীবকে ঠকানো হয় বাকেরগঞ্জ উপজেলায় দুইটি খাদ্য গুদাম রয়েছে একটি হলো বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলস কাঠি খাদ্যগুদাম এর কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসেন জানান বাকেরগঞ্জের পশ্চিম ইউনিয়ন আমার আন্ডারে ডিলার ৩৫ জন মোট চাল বরাদ্দ ৫৮৮ টোন ৭৩০ কেজি এর ভিতরে ৮ জন ডিলার এখন পর্যন্ত কোন চালান জমা দেয়নি এবং উত্তোলন করেনি নিয়ম হল মাসের ১ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত খোলা বাজারে লাল কাপড়টা নিয়ে চাউল বিক্রি করা কিন্তু ৮ জন ডিলার এখন পর্যন্ত চাউল উত্তোলন কেন করেনি তা জানি না ঐসকল ডিলারদের মধ্যে রঙ্গশ্রী দুইজন নিয়তির একজন পাদ্রিশিবপুর এর দুইজন নলুয়ার দুইজন ভরপাশার একজন তারা কি জন্য এখনও চাউল উত্তোলন করেনি তা খতিয়ে দেখা দরকার বাংলাদেশের করোনা ভাইরাস এর মধ্যেও এই দুর্যোগ মুহূর্তে যে যে পরিস্থিতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন কোন চাউল চোরকে ছাড় দেওয়া হবে না এই দুর্যোগ মুহূর্ত জেনেও তারা তাদের অনিয়ম মাপে কম দেওয়া অব্যাহত রেখেছে এছাড়া পূর্বাঞ্চলের চরাদি হালতা বনদর সংলগ্ন খাদ্য কর্মকর্তা জানান পূর্ব অঞ্চলের পাস্ট ইউনিয়নে ১৭ জন ডিলার রয়েছে তাদের মাঝে ২৯০ টন চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয় যা যথানিয়মে ডিলারদের মাঝে ডিজিটাল পালার মাধ্যমে কারা করে তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় তারা যদি পরবর্তীতে কোন দুর্নীতি করে তার দায়ভার তাদের অধিকাংশ ডিলাররা সাংবাদিকদের জানান গোডাউন থেকে মাপে কম দিলে আমাদের চুরি করা ছাড়া উপায় নেই বস্তায় ঘাটতি আছে এমন কথা উল্লেখ করেন তারা তাছাড়া সাংবাদিক ট্যাগ অফিসার ও ফুড কর্মকর্তা সহ সকলকে ম্যানেজ করতে হয় উল্লেখ্য খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির যে সমস্ত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের হাত দিয়ে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে ওই কার্ডেও রয়েছে অনেক অনিয়ম অভিযোগ যিনি একবার কার্ড দিয়ে চাউল নিয়েছেন আর কাটি রেখে দেওয়া হয়েছে পরবর্তীতে ওই লোক আর কার্ড আনতে না পারায় তারা আর চাউল পায়নি ছাড়াও ইউপি সদস্যরা তাদের ভোট ক্যারি করার জন্য ওই কার্ডের ছবি উঠিয়ে অন্যের ছবি লাগানো হয়েছে এমনও অভিযোগ রয়েছে যার সত্যতা সরেজমিনে তদন্ত করলে মিলবে হালতা বন্দর সংলগ্ন এক ডিলার চাউল বিতরণ করেছে কিন্তু চাউল দেওয়া শেষ হলেও এখনো অধিকাংশ কার্ডের লোকেরা চাউল পাইনি বিধায় বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সরেজমিনে লিখিত অভিযোগ দিবেন বলে জানিয়েছেন এছাড়াও ফরিদপুর ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজি চাল মানুষের খেতে পারেনা অথচ মাছের ঘেরে মাছ কে খাওয়ানোর অভিযোগ উঠেছে বর্তমানে যে ছবি তিনটি দেওয়া হয়েছে গোমা বাজারের এক ডিলারের চাউল মাপে কম দেওয়ার ছবি ২৪ কেজি ডিজিটাল পালার ছবি দেশের এই পরিস্থিতিতে এই চাউল চোর ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী

মন্তব্য

মন্তব্য