আশুলিয়ায় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী বিত্তশালীদের ত্রান বিতরন অব্যাহত

বিনয় কৃষ্ণ মন্ডল, আশুলিয়া //
করোনা মহামারী দুর্যোগের কারণে সাড়া দেশে ঘরবন্দি দরিদ্র ও অসহায়,মধ্যবিত্ত পরিবার অন্ন সংকটে প্রতিয়মান। গত ২০ দিন যাবৎ অশুলিয়া থানাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ড, মহল্লায় সরকারদলীয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ত্রান বিতরন করেছেন পাশাপাশি দেশের নাগরিক ও ব্যবসায়ী বিত্তশালীরা এগিয়ে ত্রান বিতরন করছে। যতটুকু ত্রান পাচ্ছে তাতে একটি পরিবারের ২ থেকে ৩ দিন ক্ষুদা নিবারন করছে তবুও মানুষের অন্ন সংকট থেকেই যাচ্ছে।
সরেজমিন ও বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা গেছে, মরনঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাড়া বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত সরকারদলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি দেশের নাগরিক ও ব্যবসায়ী বিত্তশালীরা এগিয়ে ত্রান বিতরন করছেন প্রতিনিয়ত।
এদের মধ্যে উত্তর গাজিরচট এলাকায় বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী মো: নজরুল ইসলাম খান ও বাইপাইল এলাকার লুৎফর রহমান নিজস্ব এলাকার ঘরবন্দি দরিদ্র ও অসহায়,মধ্যবিত্ত ্রপরিবারের খোজ খবর নিয়ে তাদের মাঝে নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ কেজি চাউল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি পেয়াজ ও ১ কেজি সোয়াবিন তেল প্রতিটি বস্তা করে প্রতিদিন প্রতিজন শুরু থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন পরিবারকে ত্রান দিচ্ছেন
আরো রয়েছেন জামগড়া শিমুলতলা এলাকার আলমগীর মীর, দুলালমীর, গাজিরচট এ এম উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতি এনামুল হক মুন্সী, পলাশ বাড়ী এলাকার এ্যাডভোকেট হানিফ,বাইপাইল এলাকার ধামসোনা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মানিকসহ প্রায় ২০/২৫ জন ব্যাবসায়ী প্রতিনিয়ত খাদ্য সামগ্রী ত্রান বিতরন করছেন।
তারা বলেন, আমাদের মতো এবং আমাদের চেয়ে অনেকগুন বেশী অর্থসম্পদের মালিক রয়েছে যাদের মধ্য থেকে ৫ শতাংশ বিত্তবান এগিয়ে আসলে স্ব স্ব এলাকার ঘরবন্দি দরিদ্র ও অসহায়,মধ্যবিত্ত ্রপরিবারের একজন সদস্যও না খেয়ে মারাজাবেনা। এ দুর্যোগে আমাদের অঙ্গিকার প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ দেশে দলমত নির্বিশেষে অসহায় ও গরীব দুঃখি মানুষ ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাড়াতে হবে এবং সাহায্যের হাত বাড়াতে হবে একটি মানুষ যেন খাবারের কষ্টে হাহাকার না করে।

মন্তব্য

মন্তব্য