বাউফলে সামাজিক দূরত্ব না মেনেই চলছে ব্যাংকের লেনদেন

মো:ফিরোজ,বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি //
বাউফলে করোনা ভাইরাস সংক্রামন ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব না মেনেই লেনদেন চলছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংক গুলোতে। অন্যদিকে শহরের প্রাণকেন্দ্রের হার্ডওয়ার কসমেকিটস ও চায়ের দোকনগুলো খোলা রেখে চলছে বেচাকেনা।
রবিবার সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় জনতা, অগ্রনী ও ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংকগুলোতে নেই সামাজিক দূরত্বের কোন বালাই। ফলে কোভিট ১৯ সংক্রামক বাউফলে ছাড়ানোর আশংঙ্কা করছে এলাকাবাসি। অপরদিকে সামাজিক দূরত্বের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের তেমন কোন জোরালো পদক্ষেপও দেখা যাচ্ছেনা। পৌরসভাসহ ১৬টি ইউনিয়নের ছোট বড়. হাটবাজার গুলোতে করোনা সংক্রামক এড়াতে সরকার মোদি মনোহরি, ঔষধ, ফায়ার সার্ভিস এবং জরুরী খাদ্য সরবরাহকৃত যানবাহন চলাচলে নির্দেশনা দিলেও এ উপজেলায় চলছে ভিন্নরুপ। ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানগুলো নীয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই চালাচ্ছে কেনা বেচা। পৌর শহরের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের নির্মলের কসমেটিক, দালাল মার্কেটের আনোয়ারের কসমেটিক, পোস্ট অফিসের সামনে বানিজ্য কসমেটিক, বাজারের মধ্যে নিমাই হার্ডওয়ার, আল ফাহাদ কসমেটিক, সঙ্করের হার্ডওয়ার সহ হাসপাতাল রোডের জাবির ডায়াগনিস্টিক এর পাশে দুটি চায়ের দোকান ও কুন্ডপট্টি কাশারির দোকানের সাটার চাপিয়ে সকাল থেকে দুপুর অবদি চলে কেনাবেচা। এছাড়া নওমালা ইউপির নয়ারহাট, নগরের হাট বাজার, বাউফল ইউপির হোসনাবাদ বাজার, কালিশুরি, কালাইয়া, বগা, কাছিপাড়া ইউপির বাজারগুলোতে রেস্টুরেন্ট সহ চলছে চায়ের দোকনে কেনাবেচা। ঢাকা, চট্রগাম, নারায়ণগঞ্জ এলাকার লোকজনগুলো এলাকায় এসে অবাধে ঘোরাফেরা করছে। দূরত্ব বজায় রাখতে ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন পৌর শহরের কাঁচা বাজারটি অস্থায়ি ভাবে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে সরিয়ে নিয়েছেন। সামাজিক দূরত্বের বিষয়ে জনতা ব্যাংক ম্যানেজার জায়েদুল ইসলাম সবুজ বলেন, সপ্তাহের প্রথম দিন একটু ভীর হয়েছে। এর পর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই কাজ করা হবে।

মন্তব্য

মন্তব্য