আশুলিয়ায় গন পরিহনের চালক, হেলপার শ্রমিকরা অনাহারে দিনযাপন করছে

বিনয় নকৃষ্ণ মন্ডল,আশুলিয়া থেকেঃ
মহামারী করোনার আঘাতে সাড়া বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশ যখন সাধারণ ছুটিতে পরিবহন সেক্টর চলাচল বন্ধ তখনি লক্ষ লক্ষ দিনমজুর পরিবহন শ্রমিক, চালক, হেলপার অর্থের অভাবে অনাহারে পরিবার নিয়ে দিনযাপন করছে। সরকার ও পরিবন সেক্টরের নেতাদের পক্ষ থেকে তারা কোন প্রকার আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে।
গনপরিবহনের দিনমজুর পরিবহন শ্রমিক, চালকদের নিকট জানা যায়, গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তারা দিনমজুর গাড়ি রোডে চললে দিনের আয় দিনে মিলে তা দিয়ে মা, বাবা, স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোন ভাবে সংসার চালাতো। বর্তমানে মহামারী করোনার আঘাতে সাড়া বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশ যখন সরকারী নির্দ্দেশে সাধারণ ছুটিতে পরিবহন সেক্টর চলাচল বন্ধ তখনি লক্ষ লক্ষ দিনমজুর পরিবহন শ্রমিক, চালক, হেলপার বেকার হয়ে অর্থের অভাবে অনাহারে পরিবার নিয়ে দিনযাপন করছে।
আশুলিয়া থেকে মোহনা, ওয়েলকাম, ঠিকানা, মৌমিতাসহ প্রায় অর্ধশত ব্যানারে গনপরিবহন চলে আসছিলো। এসকল পরিবহনসহ দ্রæতগামী পরিবহন, লেগুনা, মাহিন্দ্রা, অটোরিকসা, পায়ে পেডেল রিকশার হাজার হাজার দিনমজুর পরিবহন শ্রমিক, চালক বেকার হয়ে পরেছেন। তাদের পরিবার নিয়ে কিভাবে দিন কাটাচ্ছে এই খবর এই পর্যন্ত সরকার ও পরিবহন সেক্টরের কোন নেতাকর্মীরা নেননি।
অথচ এই সকল দিনমজুর পরিবহন শ্রমিক, চালক, হেলপার এর কারনে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব পায় তদ্ররুপ পরিবহন সেক্টরের নেতারা প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা জিপি এর নামে চাদা উত্তোলন করে আসছিলো। মোহনা ও ওয়েলকাম নামক ব্যানারে দুইজন চালক রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় দেখা হয় । নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, সাংবাদিক ভাই আজ দুইদিন যাবৎ আমার ঘরে চাল, ডাল বাজার কিছুই নেই, ছোট মেয়ের দুটি রুপার চেইন বিক্রি করতে যাইতেছি। যে কয় টাকা বিক্রি হয় তা দিয়ে কিছু বাজার কইরা স্ত্রী সন্তানের মুখে তুলে দিবো ইনশা-আল্লাহ।
এই করুন দৃশ্য দেখে তাদের নিকট আরো জানতে চাই যে আপনারা সারা বছর গাড়ি চালিয়ে নেতাদের জিপি দেননি। তখন তারা বলেন, প্রতিদিন প্রতিটি গাড়ি থেকে ইপিজেড থেকে শুরু করে মিরযুর, গুলিস্তান, মতিঝিল যে যে পরিবহনের শেষ স্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রতিদিন ৭ শ” থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত মালিক, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীদেরকে জিপি দিয়েছে। সেই উত্তোলিত জিপি শ্রমিকদের দুর্যোগ ও দুর্ঘটার কাজে ব্যবহৃত হবে। এখন মালিক, শ্রমিক নেতা এমনকি সরকারও আমাদের খোঁজ নিচ্ছেনা
এ ব্যাপারে অন্যান্য ব্যানারের মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে অনেকে ফোন রিসিভ করেননি আবার অনেকের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মন্তব্য

মন্তব্য