শিক্ষানবীশ আইনজীবি শাহেন শাহ খুন ন্যায় বিচারের আশা পরিবারের

সৈয়দ মাসুদ,রাজশাহী প্রতিনিধি //

মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় রাজশাহীতে নিহত শিক্ষানবীশ আইনজীবি শাহেন শাহ (২৮) হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়েছে। মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলার রাষ্ট্রপক্ষেও যুক্তিতর্ক হবার কথা। গত ২০১৩ সালে ২৯ আগস্ট নগরির গুড়িপারা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের সশস্ত্র হামলাই নিহত হন শাহেন শাহ। তিনি ওই এলাকার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। এই ঘটনায় নিহতের ভাই নাহিদ আক্তার নাহান বাদি হয়ে নগরির রাজপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের তৎকালীন ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মনসুর রহমান সহ এজাহার নামীয় আসামী করা হয় ২৫ জনকে। অজ্ঞাতনামা আসামী ছিলেন আরও ২৫-৩০ জন। মামলার অভিযোগে বাদি উল্লেখ করেন, ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনসুর রহমানের ভাতিজা আব্দুল মোমেনের সঙ্গে একই এলাকায় নির্বাচনের মনসুরের প্রতিদ্বন্দ্বী র্প্রাথী রজব আলী ছোট ভাই শাহেন শাহর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ২০১৩ সালের রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন রজব আলী কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে তাদের নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের মধ্যে বিরোধ বাড়ে। নির্বাচনে জিতলে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন প্রকাশ্যেই। নির্বাচনের পর থেকে মোমেন এলাকার মাদক বাবস্যা চালিয়ে যাবার চেষ্টা চালান।কিন্তু তাতে বাধা দেন শাহেন শাহ। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিদন্দ হয় এর কিছুক্ষণ পরই মোমেনের নেতৃত্ত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল শাহেন শাহকে মারার জন্য রজব আলির চেম্বারে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করে।এ সময় সেখানে অবস্থানরত ম্যানেজার রবিউল ইসলাম ও নিজাম উদ্দিনকে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ক্ুঁপিয়ে জখম করে। হামলা হয় তাদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান,বাসাবাড়ি ও রাজনৈতিক চেম্বারেও। যাবার সময় প্রকাশ্যে দিবালকের হত্যার হুমকি দিয়ে যায়। ওই দিনই দুপুরে মোটর সাইকেলযোগে গুড়িপারা পোড়াপারা এলাকায় চাচার বাড়িতে যাচ্ছিলেন শাহেন শাহ। এসময় তার সাথে ছিলেন বন্ধু শাহীন। সাকিনের ক্লাব মোড়ে পৌঁছালে মনসুর ও তার লোকজন তাদের পথরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মারাত্নক জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে, তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মামলার সাক্ষ গ্রহণ শুরু হয়ার পর থেকে বাদি পক্ষের পরিবারকে হামলার ভয় ভিতি দেখিয়ে আসছে আসামী পক্ষরা সব কিছুকে উপেক্ষা করে মামলার বাদি নাহিদ আক্তার নাহান বলেন মাদক ব্যাবসার প্রতিবাদ করায় তার ভাইকে প্রকাশ্য দিবালকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় জরিত প্রত্যেকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে তার পরিবার।

মন্তব্য

মন্তব্য