গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৫৮, ছাড়পত্র পেলেন ৯ জন

রওশন হাবিব,গাইবান্ধা প্রতিনিধি //
করোনাভাইরাসে গাইবান্ধায় মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। গত ২৪ ঘন্টায় ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর করোনাভাইরাস সংক্রমনের কোন প্রমাণ না পাওয়ায় ৯ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। অপরদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে নতুন করে আরও ২ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এনিয়ে জেলার সাত উপজেলায় ১৫৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার ফলাফল না জানা পর্যন্ত তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। এদিকে গাইবান্ধায় এখন পর্যন্ত আমেরিকা প্রবাসী মা-ছেলে ও তাদের সংস্পর্শে আসা আরও তিনজনসহ মোট ৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এরমধ্যে ৩ জন গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতাল ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আইসোলেশনে এবং অপরজন সাদুল্লাাপুরের হবিবুল্লাহপুর গ্রামের হোম আইসোলেশনে রয়েছে। সিভিল সার্জন অফিসের করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে গত রবিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের গোঘাট গ্রামের মো. ফজলু মিয়ার ছেলে নারায়নগঞ্জ ফেরত আব্দুর রাজ্জাক তার নিজ বাড়িতে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যায়। রাজ্জাক করোনা ভাইরাসে মারা গেছে এই সন্দেহে একটি মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। পরে সরকারি বিধিমোতাবেক গাইবান্ধা ইসলামী ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষিত ঈমামদের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির দাফন সম্পন্ন করা হয়। মৃত ব্যক্তির বাড়ির আশেপাশে ৬টি পরিবারকে হোমকোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এছাড়া মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকাকালীন যে চিকিৎসক তার চিকিৎসা করেছিল তাকেও হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনার দেয়া হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ।

মন্তব্য

মন্তব্য