বাউফলে করোনা আতঙ্কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর উপস্থিতি কম

 

মো:ফিরোজ,বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি //
পটুয়াখালীর বাউফলে গোপনে চলছে সর্দি-কাশি ও জ্বর চিকিৎসা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর উপস্থিতি কম। রোগের লক্ষণ বলে পল্লী চিকিৎসক থেকে ঔষধ নেয় হচ্ছে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে ত্রান বিতরনসহ নানা কর্মসূচী চলমান থাকলে সাধারন মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথ্য সূত্র মতে, যে কোন সর্দি,জ্বর-কাশি হলেই যে আপনি করোনায় (কোভিড-১৯) আক্রান্ত তা ঠিক নয়। আতঙ্কিত হবেন না! তবে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিরও একই ধরনের লক্ষণ দেখা যায়। করোনার যে কোন লক্ষণ-সর্দি জ্বর-কাশি হয় এবং শ্বাস কষ্ট দেখা দিলে তা গোপন না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

করোনা প্রাথমিক লক্ষন সর্দি কাশি ও জ্বর হলে ক্লোয়েন্টাইনে রাখা। অর্থাৎ নিজেকে ও অপরকে সেইভ রাখা। তিন সপ্তাহ ধরে করোনা ভাইরাস নিয়ে সারাদেশ সবকিছু বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্য কেন্দ্র ফার্মেসী বন্ধ রাখা হয়নি। তবে এসব কেন্দ্র উপস্থিতি খুবই কম। করোনা ভাইরাস সংক্রামক সারাদেশ সচেতনতার লক্ষ্যে গৃহমুখী মানুষ। সাধারন ছুটি। সড়কে যানচলাচলসহ হাটবাজার বন্ধ। সভা সমাবেশ অনুষ্ঠান নিষিদ্ব রয়েছে। তবুও যেন থেমে নেই। জীবন জীবিকার তাগিদে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর চোখে ফাকি দিয়ে প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মানুষ।

উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকে খোজ নিয়ে জানাগেছ্,ে সর্দি-কাশি ও জ্বর রোগী উপস্থিতি কম। কর্মরত চিকিৎসকের বক্তব্য হচ্ছে, বাংলাদেশে আবহাওয়া পরিবর্তন দিনে গরম ও রাতে শীত যে কারনে শিশুসহ বৃদ্ধদের সর্দিকাশি থাকা স্বাভাবিক। তবে পরিচর্যাসহ প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় কয়েকজন পল্লী চিকিৎসক জানান, গত এক সপ্তাহ গড়ে ২৫-৩০ জন সর্দি কাশি রোগী দেখেছেন যাদের প্যারাসিটমল ও টোফেন সিরাপ দেওয়া হয়েছে। তবে রোগী সরাসরি উপস্থিত না হয়ে রোগের লক্ষণ বলে আত্বীয় স্বজন ওষুধ নিয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মরত একাধিক প্রোভাইটর জানান. ক্লিনিক রোগীর উপস্থিতি কম। পর্যাপ্ত ওষুধ আছে। ক্লিনিক খোলা রয়েছে।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা: প্রশান্ত কুমার মুঠোফোনে জানান, জ্বর, সর্দি কাশি রোগী উপস্থিতি কম। যানবাহন চলাচল বন্ধ। গৃহে থাকা এবং করোনা আতঙ্ক। তবে আমরা স্বাস্থ্য কর্মী প্রস্তুত। কমিউনিটি ক্লিনিকসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র খোলা রয়েছে। পর্যাপ্ত ঔষধ দেয়া হয়েছে। ঔষধ শেষ হওয়ার সাথেই কেন্দ্র থেকে ঔষধ নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নয়, প্রয়োজন করোনা প্রতিরোধে সচেতন থাকা।

মন্তব্য

মন্তব্য