পটুয়াখালী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য ৫০শয্যার কোয়ারেন্টাইন ইউনিট ও ১০০ আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করা হয়েছে।

মোঃ শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি //
পটুয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন করোনা ভাইসরাস প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। পটুয়াখালী ৫০ শয্যার একটি কোয়ান্টোইন ইউনিটে ১০০ আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পটুয়াখালী জেলায় বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে কর্মরত চীনা নাগরিকদের মনিটরিং করার জন্য গঠন করা হয়েছে ৯ সদস্যের একটি রেপিড রেসপন্স টিম।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আক্রান্তদের সুচিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী জেলা সদরে নবনির্মিত জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের চতুর্থ তলা ভবনকে ৫০ শয্যার কোয়ারেন্টাইন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে।এবং পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঁচ শয্যার একটি আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া, জেলা ও উপজেলার সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতলে প্রতি ১৫ শয্যার একটি সম্ভাব্য কোয়ারেন্টাইন ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষনের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সম্প্রতি চীন থেকে কর্মস্থলে ফিরে আসা চারজন চীনা নাগরিককে তাদের প্রতিষ্ঠানের কোয়ারেন্টাইন ইউনিটে বিশেষ পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে পায়রা ব্রীজে কর্মরত চীনা নাগরিকদের যথাযথ মনিটরিং করার জন্য সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জাহাংগীর আলমকে চেয়ারম্যান করে নয় সদস্য বিশিষ্ট একটি করোনা ভাইরাস রেপিড রেসপন্স টিম গঠন করা । করা

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক প্রস্তুতির পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কোয়ারেন্টাইন ইউনিট। তাছাড়া একাধিক মেগা প্রকল্পে চীনা নাগরিকরা যেহেতু কর্মরত আছেন, সেইজন্য তাদেরকে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করার জন্য রেপিড রেসপন্স টিম কাজ করছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জেলা শহরে নবনির্মিত চারতলা বিশিস্ট জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ভবনকে ৫০ শয্যার কোয়ারেন্টাইন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতার কোন বিকল্প নাই, তাই জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিফলেট বিতরন করে সচেতন করার কাজ চলছে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পটুয়াখালী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এম.এ মতিন জানান, করোনা ভাইরাসে সম্ভাব্য আক্রান্ত রোগীদের প্রাথমিক সেবা প্রদানের জন্য হাসপাতালে পাঁচটি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থী, স্টাফ ও নার্সসহ সংশ্লিস্টদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনীয় ও প্রাথমিক সেবা প্রদানের জন্য সভা, সেমিনার করা হচ্ছে। সর্দি, জ্বর, কাশি রোগীদের জন্য আলাদা কক্ষে সেবার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

মন্তব্য

মন্তব্য