সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির প্রকল্পের নিয়জিত ডিলার”সত্যব্রত চক্রবর্তী”খাদ্য বান্ধব” কর্মসূচি চাউল আত্তসাতের অভিযোগ

ডেভিড সাহা, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি : বান্দরবানের রুমা উপজেলা ৩নং রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি প্রকল্পে নিয়োজিত ডিলার “সত্য এন্ড সন্স”এর পরিচালক প্রনলাল চক্রবত্তী,গত ২০১৬/২০২০ সাল পর্যন্ত নিয়জিত আছেন কিন্ত সরকারি বিধি বিধান তোয়াক্কা না করে চাউল বিতরণ সঠিকভাবে না করে উপকার ভুগিদের চাউল আত্তসাত করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এরে মধ্যেই আবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামের তালিকা পাওয়া যায় ৪জনের এবং ৩নং রেমাক্রী ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ডের ৪৭৩ জন ব্যাক্তির নামের তালিকা থাকলেও বেশির ভাগ লোক তা জানে না এবং তাদের কে কার্ড পযন্ত দেওয়া হয় নি। এই বিষয়ে স্হায়ী কিছু লোকজন জানান যে ডিলার রুমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক পদে আছেন উনার সাথে বড়বড় বিভিন্ন লোকের হাত আছে যার কারনে কেউ ভয়ে কিছু বলার সাহস করে না।শেখ হাসিনার বাংলাদেশ,ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এ প্রতিপাদ্য বিষয়ের আলোকে খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সালে সারাদেশে স্বল্প মূল্যে খাদ্য শস্য বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী । খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় দেশের ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ টাকা দরে মাসে ৩০ কেজি চালউ দেবে সরকার। মার্চ ও এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর প্রতি বছরের এই ৫ মাস এ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। এই পাঁচ মাস দেশের গরিব মানুষের কষ্ট হয়, এ সময় বাজারে চালের দাম বাড়তির দিকে থাকে, তাই এই পাঁচমাস তাদেরকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে বছরে সাড়ে ৭ লাখ টন চাল বিতরণ করবে সরকার ।আর এ কর্মসূচির নামকরণ করা হয়েছে-‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’। এর জন্য একটা স্লোগান ঠিক করা হয়েছে। তা হল-‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ- ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে নীতিমালা অনুযায়ী প্রত্যেক জেলা/উপজেলায় ইউএনও’র নেতৃত্ব কমিটি আছে। কমিটিতে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রয়েছেন। প্রতি ৫০০ পরিবারের কাছে চালউ বিতরণের জন্য একজন ডিলার নিয়োগ হবেন।সেই নীতিমালা অনুযায়ী কমিটি কার্ড বণ্টন করবে, ডিলার নিয়োগ হবে।

এই নিয়ম অনুসরন করে, বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের ডিলার নিয়োগ করা হয়। সত্যব্রত চক্রবর্তী দোকনের নাম সত্য এন্ড সন্স নামে। খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চালউ গত ২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত এই ৪ বছর যাবত বিভিন্ন মহলকে ম্যানেস করে চালউ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্ত তার এই দুর্নীতি দেখার মতো কেউ যেন নেই।

জননেত্রী শেখ হাসিনার মহান উদ্যোগকে একশ্রেণী অসাধু ব্যবসায়ি দিনের পর দিন আত্মসাৎ করে যাচ্ছে। যা বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। আরো বিস্তারিত নিয়ে আসতে জাতীয় পএিকা দৈনিক দিন পতিদিন পএিকা।

মন্তব্য

মন্তব্য