বাকেরগঞ্জে ১১ মামলার আসামি কুদ্দুছ মিঞার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

সৈয়দ মিরাজ, বাকেরগঞ্জ থেকে //
বাকেরগঞ্জ কবাই ইউনিয়নের হানুয়া গ্রামের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদুস্য নারী নির্যাতন কারী ও প্রতারনা সহ ১১ মামলার আসামি কুদ্দুছ মিঞার অত্যাচার থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী জোট বেঁধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এলাকার ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, বি এন পি ঘরনার এ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বহুদিন ধরে এলাকায় গড়ে তোলা বিশাল বাহিনী। সাধারণ মানুষকে জিন্মি করে একের পর এক অপকর্ম করে যাচ্ছেন। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস করে না। ম্যনেজ প্রক্রিয়ায় তার এ জগন্য কর্ম চলে বলে জানা যায়। বিগত বি এন পি আমলে তো তার ভয়ে অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে ছিলো। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে প্রথমে কিছু দিন ঘাপটি মেরে থাকলেও সময় বদলের সুযোগে এখন পুরো বেপরোয়া। তার নামে ইতিপূর্বে সরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ র্যাব পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে অনেক অভিযোগ জমা পরলেও কোন এক অদৃশ্য হাতের ইশারায় স্হানীয় বহুল তবিয়তে রয়েছে এ অপরাধী। এ বিষয় স্হানীয় ভুক্তভোগী আবুল বাসার জানান তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় এসে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদার দাবিতে বহুদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে, বিষয় টি পুলিশ সুপারকে জানালে তিনি ডেকে নিয়ে সতর্ক্য করে দিলেও তা আমলে নেয়নি। এখন উল্টো প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এভাবে অসংখ্য সাধারণ মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই। জোছনা বেগম বলেন, জমজমা জবরদখল করে নিয়ে যায়, এতে বাধা দিলে আমাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। মোঃ শাহাবুদ্দিন মিঞা অভিযোগ করে বলেন, আঃ কুদ্দুস মিঞা সমাজের সকল অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। মোঃ আক্কাস মিঞা বলেন, আঃ কুদ্দুস মিঞা এলাকায় চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু ও প্রতারক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রশাসনের নিরবতায় অসহায় জনগন শেষ অবধি বাধ্য হয়ে গত সোমবার হানুয়া পেয়ারপুর সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। প্রধানমন্ত্রী তথা উর্ধ্বতন কর্মকতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয় থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল কালামের নিকট জানতে চাইলে তিনি এ বিষয় কিছু জানেন না বলে জানান, তবে তার বিরুদ্ধে থানায় অনেক গুলো মামলা আছে বিষয় টি নিশ্চিত করেন। নতুন করে কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষ ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

মন্তব্য