কুমিল্লার মুরাদনগরে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, আটক ২

সাজ্জাদ হোসেন শিমুল, বাঙ্গরাবাজার(কুমিল্লা) প্রতিনিধি:অটোরিকশায় (সিএনজি) তুলে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে দুই বখাটে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক।গণধোলাইয়ের পর স্থানীয়জনতা তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাখরাবাদ- পান্নারপুল সড়কের আড়ালিয়া নামক এলাকায় এই জঘন্য ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনার হোতা আটক দুই বখাটে যুবক মুরাদনগর উপজেলার দারোরা গ্রামের রেনু মিয়ার ছেলে ইসমাঈল (৩৫) ও দক্ষিন পুষ্কনীপাড় গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে মোবারক হোসন মোবা (৩২)।রাত সাড়ে নয়টায় এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিলো।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলেজ ছাত্রীটি দারোরা বাজার থেকে দেবিদ্বার মহিলা কলেজে যেতে গাড়ির জন্যে অপেক্ষা করছিলো। সিএনজি চালক মোবারক হোসেন মোবা নামে নিজের সিএনজি নিয়ে কলেজ ছাত্রীর সামনে এসে দাঁড়ায় এবং জানতে চায় সে কোথায় যাবে।মেয়েটি দেবিদ্বার মহিলা কলেজে যাবার কথা বললে, চালক ছাত্রীটিকে গন্তব্যে নামিয়ে দেয়ার কথা বলে গাড়িতে উঠতে বলে। এসময় অটোরিকশায় ইসমাঈল নামে এক ছদ্মবেশী যাত্রী বসা ছিলো। মেয়েটি ওই যাত্রীর সঙ্গে যাবেন না বলে জানায়। পরে চালক মোবারক হোসেন মোবা তাকে ফুসলিয়ে গাড়িতে তুলে। কিছুক্ষণ গাড়ি চলার পর ওই ছদ্মবেশী যাত্রী বখাটে ইসমাঈল ছাত্রীটির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আত্মরক্ষার্থে ইসমাঈলের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মেয়েটি আড়ালিয়া নামক স্থানে সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে। এতে তার হাতের হাড় ভেঙ্গে যায়।

বিষয়টি স্থানীয়জনতার নজরে পড়লে তারা এসে অটোরিকশাটিকে আটক করে ঘিরে ফেলে। পরে ওই কলেজ ছাত্রীর কাছ থেকে ঘটনা জেনে অটোরিকশা চালক মোবারক হোসেন মোবা ও ছদ্মবেশী যাত্রী ইসমাঈলকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুরাদনগর থানার ওসি কেএম মঞ্জুর আলম বলেন, বিষয়টি শ্লীলতা হানির ঘটনা। তবে, আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান ওসি।

মন্তব্য

মন্তব্য