সন্দ্বীপে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একটি মেয়ের বিয়ের সামগ্রি সহ পাঁচটি বসতঘর পুড়ে ছাঁই।

বাদল রায় স্বাধীন,সন্দ্বীপ:সন্দ্বীপে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫ টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে গত ৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে । সাথে কপাল পুড়লো কন্যাদায়গ্রস্থ একটি পিতার বিয়ের জন্য সংগৃহীত সকল সামগ্রি।

সন্দ্বীপ থানা সুত্রে জানা যায় সন্দ্বীপ শিবের হাটের পশ্চিম পাশে সারিকাইত ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাতঘরিয়া গ্রামের রূপের গো বাড়িতে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।আর আগুন নিয়ন্ত্রনে আসার আগে ৫ টি বসতঘর, আসবাব পত্র সহ মুল্যবান কাগজ পত্র কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

আগুন লাগার খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও শিবের হাটের ব্যবসায়ীরা ছুটে গিয়ে প্রায় ৩ ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।ততক্ষনে সব পুড়ে গেছে।

উক্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সন্দ্বীপ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আমিন উল্যাহ ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম পনির ।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার প্রধানরা হলেন মোঃ নাছির, আইয়ুব খান, রনি, মামুন ।

সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শরিফুল ইসলাম বলেন সকাল সাড়ে দশটায় রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে এবং প্রাথমিক তদন্তে বলা যায় এটি একটি নিছক দুর্ঘটনা ছাড়া অন্য কিছু নয়।

চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম পনির জানান ৫ টি ঘর পুড়ে যাওয়া সহ, তিন/চার দিন পড়ে একটি মেয়ের বিয়ের জন্য সংগৃহীত সকল বিয়ের উপকরন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।এবং সাথে সকল আনন্দ মাটি হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমানও প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা।

সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি জানান, সকালে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা আগুন নেভাতে ছুটে এসেছি । নিজেরাই যা পারি সনাতনী পদ্ধতিতে বালতি ও জেনারেটর দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছি। যেহেতু সন্দ্বীপে ফায়ার সার্ভিসের ভবন নির্মান হলেও এখনো এটির কার্যক্রম শুরু হয়নি তাই অচিরেই ফায়ার সার্ভিসের কাজ পুরোদমে শুরু করতে হবে। কারন সন্দ্বীপে বিদ্যুৎ আসার ফলে এবং সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যহারের কারনে সন্দ্বীপ এখন অগ্নিকান্ড প্রবন এলাকা। গত দুই বছরে কয়েকটি বাজার সহ বসত বাড়িতে অাগুন লাগা তাহাই প্রমান করে।

মন্তব্য

মন্তব্য