ভাইস চেয়ারম্যান এর নামে মামলা নেওয়ায় ওসি’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার:
গত রবিবার কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ওয়ালী উল্ল্যাহ আলি’র বিরুদ্ধে প্রত্যাহারের দাবিতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুল আলম তার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন করেন। উক্ত সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে ওসি সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেনÑ পুলিশ জনগনের বন্ধু, সেবাই পুলিশের ধর্ম, আর আমি এই এলাকার স্থানীয় ব্যক্তি বা প্রতিনিধি নয়। কেউ আমার শত্রæ নয়।
গত ০৭-০১-২০ তারিখে জনৈক মোঃ শরীফ হোসাইন (২৭)। পিতা- মৃত: মোখলেছুর রহমান , সাং-নোয়াদ্দা (বড় বাড়ি), থানা-কচুয়া , জেলা- চাঁদপুর কর্তৃক একটি ধাতব্য অপরাধের বিষয়ে আমার বরাবর তাহার স্বাক্ষরিত এজাহার দায়ের করিলে ঘটনার বিষয়টি ধাতব্য অপরাধ হওয়ায় ফৌ.কা.বি. আইনের ১৫৪ ধারায় আইনের বাধ্যবাধকাতা থাকায় বর্ণিত মামলাটি রুজু করি। বাদী তাহার দায়েরকৃত এজাহারে ভাইস চেয়ারম্যানকে ০২ নম্বরে অভিযুক্ত করেন। এবং ভাইস চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বাদীকে মার-ধর ও হুমকি প্রদান করেন বলে অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপারে কচুয়া থানার মামলা নাম্বার ০৩ ধারা- ১৪৩/৩২৩/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ জি.আর পেনাল কোড মামলা গ্রহন করিলে। কিন্তু বর্ণিত মামলা এজাহার নামীয় ০২ নং অভিযুক্তকারী মাহবুব আলম আইনের বাধ্যবাধকাতার কোনো তোয়াক্কা না করিয়া ধাতব্য অপরাধে তাহার বিরুদ্ধে মামলা রজু হওয়ায় সাংবাদিক সম্মেলন করিয়া কেন মামলা নিয়াছে মর্মে উল্লেখ করিয়া থানার পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রশমূলক কথাবার্তা বলে ও পুলিশ বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্নসহ ভাবমূর্তি নষ্ট করেন। ভাইস-চেয়ারম্যান ও তার লোকজন বিভিন্ন সময় আমাকে মোবাইলে মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে হুমকি প্রদান করেন। তাছাড়া আমি অফিসার ইনচার্জ হিসেবে ধাতব্য অপরাধের বিষয়ে আইন প্রয়োগ করায় ওসি প্রত্যাহারের দাবি অযৌক্তিক ও নিন্দনীয় মনে করি। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দূর্নিতী ও মাদক বিরোধী সততার সহীত কাজ করে যাওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য সফল ভূমিকা পালন করছেন । একইসাথে কচুয়া-বাসীর কাছে অনুরোধ, অপরাধমুক্ত সহ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশদের সহযোগিতা করবেন।

মন্তব্য

মন্তব্য